The path to the image is not correct.

Your server does not support the GD function required to process this type of image.

রাবিতে মোবাইল চুরির প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের, ছাত্রলীগের বাধ
  • ০২ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:১৮:১২
  • ০২ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:১৮:১২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রাবিতে মোবাইল চুরির প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের, ছাত্রলীগের বাধা

ছবি : সংগৃহীত

রাবি প্রতিনিধি :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আবাসিক হল থেকে দুটি ফোন চুরি হওয়ার ঘটনায় হল গেইটে তালা লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় হল ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসাদাচরণ করে ও ধমক দিয়ে ভিতরে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে কর্মরত এক সাংবাদিককেও লাঞ্ছিত করে এক ছাত্রলীগ নেতা।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার হলে এ ঘটনা ঘটে। এর কিছু সময় আগে ফোন চুরির ঘটনাটি ঘটে। সাংবাদিক লাঞ্ছিতকারী ছাত্রলীগ নেতা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর অনুসারী।

শিক্ষার্থীরা জানায়, শুক্রবার রাত ১১ টায় ১৪৭ নম্বর কক্ষ থেকে দুটি ফোন চুরি হয়ে যায়। এর প্রতিবাদে তারা হল গেটে অবস্থান নেয়। পরে গেটে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। এ সময় হল শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এসে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং শিক্ষার্থীদের তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ‘বাংলাদেশ টুডে’র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মুজাহিদ হোসেন ছবি তুলতে গেলে তাকেও ধাক্কা দেয় ছাত্রলীগ নেতা মোহন মন্ডল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী দাবি করেন, ছাত্রলীগ নেতা মোহন বিভিন্ন সময় সিনিয়রদের সঙ্গে অসদাচরণ করে। এমনকি লাঠি নিয়ে মারতে তেড়ে আসে। ছাত্রলীগের ক্ষমতাবলে বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ রকম অত্যাচার করে। যার ধারাবাহিক প্রকাশ গতকালের ঘটনা।

ঘটনার সম্পর্কে সাংবাদিক মুজাহিদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থী বিক্ষোভ শুরু করলে ছাত্রলীগ কর্মীরা এসে বাধা দেয়। আমি ছবি তুলতে গেলে আমাকেও বাধা দেয়া হয়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতা মোহন সিনিয়র শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে আমি তার সঙ্গে কথা বলতে যাই। এতেই তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। বলেন, আপনি কে? আপনাকে কেন এসব উত্তর দিতে যাব?

তবে ছাত্রলীগ নেতা মোহন দাবি করেন, হঠাৎ চিৎকার শুনে হল গেটে গিয়ে দেখি গেট বন্ধ করে চিল্লাচিল্লি করছে কিছু শিক্ষার্থী। আতঙ্কিত হয়ে পড়ি আমি। তখন হল গেট আটকানো কেনো জানতে চেয়ে খুলে দেই। এরপর দেখি এক ভাই ছবি তুলতেছে। আমি তার এটেনশন নেয়ার জন্য আলতো করে হাত দিয়েছিলাম। সেখানে ধাক্কাধাক্কির কিছু হয়নি। 

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, হলে মোবাইল চুরির ঘটনা শুনেছি। তবে কোনো সাংবাদিকের সাথে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে সেটা জানি না। তেমন কিছু হলে দেখব।

মতিহার হলের প্রাধ্যক্ষ মুসতাক আহমেদ বলেন, হল থেকে ফোন চুরি হওয়া অবশ্যই নিন্দনীয় ঘটনা। শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করতেই পারে। এতে ছাত্রলীগের ছেলেরা বাধা দেয়ার কেউ না। আমি বিষয়টি দেখছি।

বাংলা/এএএ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0208 seconds.