The path to the image is not correct.

Your server does not support the GD function required to process this type of image.

দুর্নীতির সত্যতা নিয়ে রাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষকের চ্যালেঞ্জ
  • ৩১ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৩৬:০৫
  • ৩১ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৩৬:০৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

দুর্নীতির সত্যতা নিয়ে রাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষকের চ্যালেঞ্জ

ছবি : সংগৃহীত

রাবি প্রতিনিধি :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চলমান দুর্নীতির সত্যতা’ নিয়ে প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. সফিকুন্নবী সামাদী। প্রশাসনের অপসারণ দাবিতে পূর্বঘোষিত সাপ্তাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সপ্তম দিনের মতো মানববন্ধন করে ‘দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজ’। সেখানে বক্তব্যের একপর্যায়ে এই চ্যালেঞ্জ জানান ড. সামাদী।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত এবং প্রশাসনের অপসারণের দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের একাংশ ‘দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজ’ গড়ে তোলে। ৩০ সেপ্টেম্বর, আইন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়ার দর-কষাকষির ফোনালাপ ফাঁস এবং ২৬ সেপ্টেম্বর উপাচার্য এম আব্দুস সোবহানের ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের পর প্রশাসনকে ‘স্বাধীনতাবিরোধী ও দুর্নীতিবাজ’ আখ্যা দিয়ে ৩ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে এই ব্যানারের শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বেলা ১১টায় সিনেট ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত আজকের মানববন্ধনে অধ্যাপক সামাদী বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করে বলে বলতে পারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে উপাচার্য তার জামাতা ও মেয়ের নিয়োগ দিয়েছেন। যদি তা না হয়ে থাকে, তিনি আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুক।’

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সাবেক এ প্রশাসক আরো বলেন, ‘উপাচার্যের কন্যা স্নাতকোত্তরে ২২তম এবং তার জামাতা ৬৭তম হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রীর পদক পেয়েও অনেক শিক্ষার্থী নিয়োগ পায়নি শুধুমাত্র টাকার জন্য। তাহলে আপনি কী বলবেন। আমরা শিক্ষক হয়ে দেশের কাছে কী জবাব দিব?

শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান চঞ্চল বলেন, ‘উপাচার্য আব্দুস সোবহান শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও কর্মচারীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সীমা ছাড়িয়েছে।’ আন্দোলন করায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুমকি দেয়া হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাড়িয়ে কথা বলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদেরকে দিয়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এসব হুমকি-ধামকি দেখিয়ে নিজেদের অপকর্ম ঢাকা যাবে না।’

ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, আইন অনুষদের সাবেক ডীন অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ, সাবেক প্রক্টর ড. মুজিবুল হক আযাদ খান, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর তারিকুল হাসান, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এস এম হায়দার, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. মো. জিন্নাত আরা বেগম, গণিত বিভাগের অধ্যাপক আসাবুল হক, সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মিজানুর রহমান, প্রাণ রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এস এম এক্রাম উল্যাহ প্রমুখ।

বাংলা/এএএ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0175 seconds.