• ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৩৬:০২
  • ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:৩৮:০১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আবরার হত্যার দায় কি বুয়েট প্রশাসন এড়াতে পারে?

ছবি : বাংলা


ইমরান হাবিব রুমন :


মত প্রকাশের অপরাধে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি ফেসবুকে দেখার পর বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। উদ্বিগ্নতা নিয়ে বারবার বিভিন্ন জনকে ফোন করছিলাম আর ভাবছিলাম ফেসবুকে দেখা এই খবরটা যেন মিথ্যা হয়। বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নয়, বা আবরার মেধাবি বা ভাল ছেলে বলে নয়; এই একাবিংশ শতাব্দিতে কোন বিষয়ে মত প্রকাশের জন্য রুম থেকে ডেকে নিয়ে সারারাত মধ্যযুগিয় কায়দায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পিটিয়ে একজন সহপাঠিকে, একজন মানুষকে খুন করতে পারে, মানুষ হিসেবে এটা মেনে নেয়া খুব কঠিন।

আমরা কোনভাবেই চোখ বন্ধ করে আবরারের জায়গায় নিজেক বা খুনিদের জায়গায় নিজেকে ভাবতে পারবো না। এটা ভাবতে গেলে যে কোন বিবেকবান মানুষই ভয়ে শিউরে উঠবেন। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুয়েট আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একাংশের পক্ষ থেকে, শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে, অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে হত্যার বিচার চাওয়ার পাশাপাশি এ ঘটনার জন্য ছাত্র রাজনীতিকে দায়ি করে তা বন্ধের দাবি করা হচ্ছে। যা ঘটনার কার্যকারণ উদ্ঘাটন এবং প্রতিকারের বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণে সঠিক দিশা দিতে পারবে না।

আবরারকে পিটিয়ে মারার সাথে যুক্তদের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি তো দিতেই হবে। সাথে ঘটনার গভীরে গিয়ে এর কার্যকারণ না খুুঁজে সাময়িক ক্ষোভ-বিক্ষোভ দ্বারা পরিচালিত হয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও দাবি তুললে তা ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ বয়ে আনতে পারে। আবার আমাদেরকে এই প্রশ্নেরও অনুসন্ধান করতে হবে যে, বড় ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ মেধাবীদের বিদ্যাপিঠে পড়তে এসে কেন একদল শিক্ষার্থী আবরারের খুনি হলো? কোন পরিবেশ সামান্য ভিন্নমত প্রকাশ করলেই তাকে পিটিয়ে হত্যা করার মতো মানসিকতা তৈরি করলো? 

খুনি তো ছাত্রলীগ, প্রসাশনের কি দায় নেই?

আবরার হত্যার দিন থেকে প্রত্যেকটা দিনই বুয়েটে গিয়েছিলাম। সাবেক এবং বর্তমান অনেকের সাথেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা, গল্প বা স্মৃতিচারণ হয়। একটা ঘটনা আমার মধ্যে গভীরভাবে রেখাপাত করে। লেভেল ৪, টার্ম ১ এর এক ছোট বোন। আমাদের কারো ছোট বোনের নামেই হয়তো তার নাম। তার ছোট ভাই লেভেলে-১, টার্ম-২ তে পড়ে, হলে থাকে। বললো ‘জানেন ভাইয়া, আমার ছোট ভাইকে হলের টর্চার রুমে নিয়ে গিয়ে মারধোর করে। কিন্তু সে আমাকে বলারও সাহস পায়নি। আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে যখন খবরটা শুনলাম তখন নিজে একা একা কেঁদেছি, এত অসহায় লেগেছে... কিছু করার নেই। যেহেতু কিছু করতে পারবো না তাই আপন ছোট ভাইটাকে একটু সান্তনাও দিতে পারিনি। আমার ছোট ভাই আজও জানেনা যে ঘটনাটা আমি জানি।’

দীর্ঘদিন থেকে বিশেষ করে গত এক দশকে আওয়ামী শাসনামলে এমন অসংখ্য ঘটনার ঘটে চলছে বুয়েটের প্রায় সবগুলো হলেই। আমরা সবাই দেখেছি নির্যাতনের খবরগুলো জানানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে পেজটি খোলা হয় তাতে অল্প সময়ের মধ্যেই ১৭৮টি অভিযোগ এসেছে। দু:খের বিষয় এরপর বিটিআরসি এই পেজটি বন্ধ করে দেয়। টর্চার রুম থেকে রাতে নির্যাতনের চিৎকার শুনে বুকের ভেতরে তীব্র কষ্ট আর যন্ত্রণা নিয়ে হেডফোনটা কানে দিয়ে ঐ আর্তনাদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করে সহপাঠিরা। 

আমাদের প্রশ্ন এই শব্দ কি প্রশাসনের কানে পৌঁছাতো না? অবশ্যই পৌঁছাতো। কারণ বুয়েটের প্রত্যেকটা হলেই কয়েকজন গার্ড আছে। হলের কোথায় কি হচ্ছে সাথে সাথেই তারা হল প্রোভস্টকে জানায়। এমনকি গার্ডের বাইরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটিতে দায়িত্বরতরা ক্যাম্পাসে এবং হলে হলে ঘুরে বেড়ায় এবং যে কোন ঘটনা জানার সাথে সাথেই বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রশাসনকে অবহিত করে। একজন সিনিয়ার সিকিউরিটি কর্মকর্তার সাথে কথা হচ্ছিলো। তিনি খুব আক্ষেপ করে বললেন গত কয়েক বছর থেকেই ছেলেদের হলে প্রায়ই এই ধরনের ঘটনা ঘটে। মেরে কান ফাটিয়ে ফেলা, হাত ভেঙ্গে ফেলা, গুরুতর আহত করে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটতো। তাকে বললাম, প্রশাসন জানে না? তিনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, আপনারা তো জানেন বুয়েটের যে কোন ঘটনাই সাথে সাথে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়। এমনকি গার্ডেরা কিছু বললে তাদেরকে মারধর করার ঘটনাও ঘটেছে।

হলের ছাত্রদের সাথে কথা বলার সময় ঘটনার ভয়াবহতা টের পাই। ছাত্রলীগ নির্যাতন করেছে আর হল প্রোভস্ট আহত ছাত্রকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে এমন ঘটনা অহরহ ঘটেছে। কিন্তু কখনোই নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি ছাত্ররা অভিযোগ করলে প্রশাসন তো কোন ব্যবস্থা নিতোই না, বরং ঐ অভিযোগকারীর কপালে জুটতো টর্চার সেলের আরেকটা রাত। একটু খেয়াল করে দেখুন, আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করার পর খুনিরা কিন্তু প্রশাসনকে ডেকেছিল। ভিডিও ফুটেজে আমরা দেখলাম ভোর বেলা হলের প্রোভস্ট এবং ছাত্র কল্যান পরিচালক আসলেন। হল গেটের বাহিরে পুলিশ ছিল। প্রশাসন এসে খুনিদের সাথে আলোচনা করে ডাক্তার ডেকে আনলেন, আবরারের লাশটা হাসপাতালে পাঠালেন। অবাক করা বিষয় হলো হলের গেটে পুলিশ থাকার পরও খুনিদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিলেন না। কয়েকটা বিষয় একটু ভেবে দেখা দরকার, আমরা কোন বিপদে পড়লে প্রথমে কাদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। নিশ্চয়ই আপনজনদের। তাহলে খুন করার পরও খুনিরা পালিয়ে না গিয়ে তাদের আপনজনদেরকেই কিন্তু ডেকেছে। এই হরিহর আত্মা সম্পর্কটা কিন্তু নতুন না। তৈরি হয়েছে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক স্বার্থ-সুবিধাকেন্দ্রিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে। 

ছাত্রদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম, বর্তমান ছাত্র কল্যান পরিচালক (প্রক্টোরের সমতুল্য) মিজানুর রহমান দায়িত্ব পেয়েছেন প্রায় দুই মাস আগে। এর আগে ছাত্র কল্যান পরিচালক ছিলেন সত্য প্রসাদ মজুমদার। সত্য প্রসাদ মজুমদারের পর ছাত্র কল্যান পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সিএসই বিভাগের শিক্ষক কাশেম স্যারকে। ছাত্ররা তাঁকে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ভালো মানুষ হিসেবে চেনেন। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীরা খুশি হলেও বাগড়া দেয় ছাত্রলীগ। তারা আন্দোলন শুরু করে ছাত্র কল্যান পরিচালক পরিবর্তনের। ছাত্রলীগ আবারও সত্য প্রসাদ মজুমদারকে ছাত্র কল্যান পরিচালক হিসেবে নিয়োগ চায়। কিন্তু যেহেতু বর্তমান ভিসির মেয়াদ প্রায় শেষ তাই ভবিষ্যতে ভিসি হবার আশায় নাকি সত্য প্রসাদ মজুমদার রাজি হননি। 

তখন ছাত্রলীগের আরেক পছন্দের শিক্ষক পুরকৌশল বিভাগের মিজানুর রহমানকে ছাত্র কল্যান পরিচালক করা হয়। সত্য প্রসাদ মজুমদার এবং মিজানুর রহমানসহ প্রশাসনের অনেকেই হলগুলোতে নির্যাতনের বিষয়গুলো অনেক আগে থেকেই জানতেন। তারা তো এগুলোর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি বরং বিভিন্নভাবে সন্ত্রাসীদেরকে সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। যেমন, আবরার হত্যার এই শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগ ৪টা রুমের জন্য হল প্রোভোস্টকে চাপ দেয়। হল প্রোভোস্ট রাজি না হওয়ায় ছাত্রলীগ হল প্রোভোস্টকে ঘেরাও করে। পরে তৎকালিন ছাত্র কল্যান পরিচালক সত্য প্রসাদ মজুমদার হল প্রোভোস্টকে দিয়ে এই ৪টা রুমের ব্যবস্থা করে দেন। স্বাভাবিকভাবেই এই রুমগুলো পরবর্তীতে টর্চার রুম হিসেবে ব্যবহার করা হতো। হলের ছাত্রদের কাছে থেকে শোনা যায় ৯০ জনের মতো বহিরাগত ছাত্র নাকি এই হলে অবস্থান করে। ছাত্রলীগের একজন নেতাকে পাশ করানোর জন্য সিনিয়র শিক্ষক হয়েও সাপলিমেন্টারি পরীক্ষার খুবই সহজ প্রশ্ন করে পাশ করিয়ে দেয়ার বিষয়টি বুয়েট ক্যাম্পাসের প্রায় সকলেরই জানা।

আবার মাস দেড়েক আগে আহসান উল্লাহ হলের একজনকে মেরে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেয়া হয়েছিল, ছেলেটির একটা কান পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। ওই ঘটনায় পরে নামমাত্র শাস্তি হল থেকে বহিস্কার করা হয়। এধরনের আরও অনেক ঘটনা আছে যার কোন তদন্ত বা বিচারও হয় না।  সোহরাওয়ার্দী হলেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট ভিসিকে দেয়া হলে অধিকতর তদন্তের কথা বলে বিচার ও শাস্তি না দিয়ে পুরো বিষয় ধামাচাপা দেয়া হয়। শোনা যায়, শিক্ষক সমিতির সমর্থন না থাকায় বন্ধুহীন ভিসিও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য ছাত্রলীগের সাথে মধুর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন সংকটে হয় তিনি ‌অসুস্থ হয়ে পড়েন নতুবা নাকি বিদেশে অবস্থান করেন বলে ছাত্ররা অভিযোগ করে। শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগে ফলে এটা স্পষ্ট যে, প্রশাসনের অনেকেই দীর্ঘদিন থেকেই এসকল ঘটনা জানার পরও কোন ব্যবস্থা তো গ্রহন করেননি বরং বিভিন্নভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে এসছেন।

তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, আবরার হত্যার খুনি তো ছাত্রলীগেই সেই সন্ত্রাসীরা যারা স্বহস্তে পিটিয়ে হত্যা করেছে তারা। কিন্তু যারা নির্দেশ দিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের যারা দীর্ঘদিন থেকে আবরারের হত্যার পরিবেশ তৈরি করলো তারা কি খুনের দায় এড়াতে পারবে?

ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে প্রশাসনিক খুনিরা আজ জাতীয় হিরো!

আজ খুব অবাক হয়ে দেখলাম যারা এতদিন এই খুনিদেরকে লালন-পালন করেছে, খুনের পর খুনিরা যাদের কাছে আশ্রয় খুঁজেছে, খুনিদের ডাকে সাড়া দিয়ে ভোরবেলাতে শের-ই-বাংলা হলে ছুটে গিয়েছে খুনিদের সান্তনা দেয়ার জন্য তারা ছাত্র রাজনীতি বন্ধের ঘোষণা দিয়ে যেন জাতীয় বীরের সম্মান পেলেন (!)  কারণ তারা বুয়েটে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে থাকা অংশটি ১০ দফা দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসনের অবস্থানেক স্বাগত জানিয়ে বুয়েট শহীদ মিনারে বক্তব্য দিলেন। ধন্যবাদ জানালেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং ছাত্র কল্যান পরিচালক শিক্ষার্থী এবং মিডিয়ার সামনে বারবার ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের ঘোষণা দিয়ে বাহবা নেয়ার চেষ্টা করেছেন। ছাত্রদেরও একটা অংশ আবরার হত্যার জন্য দায়ি প্রশাসনকে অভিযুক্ত করার পরিবর্তে করতালি দিয়ে তাদেরকে বাহবা জানালেন। এই শিক্ষার্থীরা এরবারও খেয়াল করলেন না, বুয়েটে কি ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি ছিল বা আছে! যে সেটা বন্ধ করলো। গত কয়েক বছর থেকে বুয়েটের ছাত্ররা কি কোন ছাত্র রাজনীতি দেখেছে? উত্তর হলো দেখেনি। যা দেখেছে তা হলো ছাত্রলীগের একক দখলদারিত্ব, দেখেছে হলে হলে নির্যাতন-নিপীড়ন।

৫/৬ বছর আগে থেকেই ছাত্রলীগ ছাড়া ভিন্ন মতের কোন ছাত্র সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেয়া হয়নি বুয়েটে। হলে নির্যাতন বন্ধ, চাঁদাবাজি বন্ধের পোস্টার লাগানোর জন্য তৎকালিন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতিকে আহসানউল্লাহ হলের কেন্টিনের সামনে ছাত্রলীগ বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে মেরে রক্তাক্ত করে দুই হাত ভেঙে দিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে গিয়েছিল, গুরুতর আহত করা হয়েছিল সাধারণ সম্পাদককে। এরপর কোন ধরনের সাংগঠনিক কাজ করতে দেয়া হয়নি। এমনকি ২০১৬ সালে বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চের উদ্যোগে সুন্দরবন রক্ষার বিষয়ে ডেল ক্যাফেতে পূর্বে থেকেই প্রশাসনের অনুমতি নেয়া আলোচনা সভায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ। বিষয়গুলো বারবার অবহিত করার পরও প্রসাশনের দিক থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে আদৌ বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি, গণতন্ত্র বা মুক্ত বুদ্ধি চর্চার কোন সুযোগ ছিল না। ছিল প্রশাসনের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, নির্যাতন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ক্যাম্পাসে দখলদারিত্ব, নির্যাতন আর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে বন্ধের ঘোষণা না দিয়ে সস্তা সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের কথা বলে নিজেদের অপরাধকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। একই সাথে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস দখলদারিত্ব, নির্যাতনকে আড়াল করতে ছাত্র রাজনীতির উপর দায় চাপালেন।

আগামীকাল লেখার ২য় খন্ড পড়ুন- ‘ছাত্র রাজনীতি বন্ধ নয় বরং সঠিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে’

লেখক: সাবেক শিক্ষার্থী, বুয়েট ( ব্যাচ ৯৮), ও সাবেক সভাপতি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

আবরার ফাহাদ বুয়েট

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0192 seconds.