• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ৩০ মে ২০১৯ ১৭:১৮:২৫
  • ৩০ মে ২০১৯ ১৭:১৮:২৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

চোর সিন্ডিকেটের নেতা স্কুল শিক্ষক

ছবি : সংগৃহীত

মোটরসাইকেল চুরির আন্তঃবিভাগ চোর সিন্ডিকেট দলের খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। আর অবাক করার বিষয় হলো সেই দলের নেতৃত্ব দেন একজন স্কুল শিক্ষক। অভিযুক্তো ওই শিক্ষক হলেন নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পয়ড়াডাঙ্গা হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম।

১০ দিন আগে ওসির মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। আর সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে গিয়ে এই সিন্ডিকেট দলের খোঁজ পেয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, ১৯ মে দুপুরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলামের কলেজের রাস্তার পাশে বাসার সামনে থেকে পালসার ১৫০ সিসি হোন্ডা হারিয়ে যায়। হোন্ডা হারানোর পর স্থানীয়ভাবে ইমেজ সংকটে পরে পুলিশ। হোন্ডা উদ্ধারকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়ে তারা মাঠে নামে।

তদন্তের এক পর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী উপজেলার দক্ষিণ ব্যাপারীরহাট গ্রামের হবিবর মেম্বারের ছেলে রেজাউল হাসান আব্দুল বারেককে আটক করে পুলিশ। এরপর বারেকের দেয়া তথ্য অনুসারে রংপুরের মডার্ন এলাকায় ইসমাইল হোসেনের বাড়ি থেকে বুধবার রাতে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির জানান, এরা সবাই রংপুর আন্তঃবিভাগ মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট দলের সক্রিয় সদস্য।

ইমতিয়াজ কবির আরো জানান, মোটরসাইকেলটি চুরি করার পর রফিকুল ইসলামের নিকট জমা দেন বারেক। আর রফিকুলের কাজ হচ্ছে সেই সব চোরাই মোটরসাইকেল কিনে তা বিক্রি করা। এরপর তারা বিক্রিত অর্থ ভাগাভাগি করে নেয়।

শিক্ষক রফিকুল মোটরসাইকেলটি বিক্রি করেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ইসমাইল হোসেনের কাছে। ইসমাইল বিআরটিএর এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে রেজি: নম্বর ও টেম্পারিং করে গাড়ির বডি নং পরিবর্তন করে নতুন নম্বর ও বডি নং ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছে তা বিক্রি করেন।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0260 seconds.