• বাংলা ডেস্ক
  • ৩০ মে ২০১৯ ১৪:৪৬:২১
  • ৩০ মে ২০১৯ ১৪:৪৬:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

২ লাখ শিক্ষার্থীর বৃত্তির টাকা নিয়ে উধাও শিওরক্যাশ এজেন্ট!

ছবি : সংগৃহীত

প্রায় দুই লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে শিওরক্যাশের ভোলা জেলার পরিবেশক মো. সোহেল। উপবৃত্তির টাকা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। জানা যায়, ভোলার বিভিন্ন উপজেলার ৬০ জন এজেন্টের টাকা নিয়ে আত্মগোপন করায় প্রায় আট শতাধিক শিওরক্যাশ এজেন্টের সব লেনদেন বন্ধ হয়ে আছে। এ ঘটনায় ভোলা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বরাতে দৈনিক শিক্ষার খবরে বলা হয়, সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও রূপালী ব্যাংকের সাথে চুক্তি করে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণের দায়িত্ব নিয়ে নেয় শিওরক্যাশ। ভোলা জেলায় উপবৃত্তির প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর জন্য পাঠানো হলেও মাত্র হাজার পঞ্চাশেক অভিভাবক টাকা তুলতে পেরেছেন। বাকী দুই লাখ শিক্ষার্থী আদৌ টাকা পাবে কি না তা কেউ বলতে পারে না।

এ বিষয়ে রবিবার শিওরক্যাশের বরিশাল আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ওমর ফারুক ও ভোলার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (টেরিটরি ম্যানেজার) মো. নোমানের সাথে এজেন্টদের বিতণ্ডা হয়। এজেন্টদের শান্ত করার চেষ্টা করেন দুই কর্মকর্তা। সমস্যার কোনো সমাধান না হওয়ায় প্রায় ৬০ জন এজেন্ট বিক্ষোভ করেন।

এ সম্পর্কে ওমর ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় তারা ভোলা সদর থানায় একটি জিডি করেছেন।’

ক্ষুব্ধ এজেন্টরা বলেন, ভোলায় শিওরক্যাশের জেলা পরিবেশক মো. সোহেল। তার বাড়ি সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে। ২৩ মে সকালে তারা সোহেলের অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা (ই-মানি) জমা দিয়েছেন। সোহেল তাদের বলেছিলেন, তিনি ক্যাশ করে বিকেলের মধ্যে টাকা পৌঁছে দেবেন। কিন্তু তিনি ব্যাংক থেকে টাকা তুললেও এজেন্টদের কোনো টাকা দেননি।

এজেন্টরা জানান, ২১ থেকে ২৩ মে দৌলতখানের এসহাক মোড়ের জাকির হোসেনের ৬০ হাজার টাকা, দৌলতখান বাজারের নবীন ডাক্তারের ৭০ হাজার, আল-আমিনের ৬০ হাজার, দক্ষিণ মাথার সুমাইয়া স্টোরের ৪২ হাজার, বাংলাবাজারের রফিকুল ইসলামের ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ মোট ৩৪ লাখ টাকা সোহেলের মুঠোফোনে পাঠানো হয়েছে। সোহেল ২৩ মে দুপুরের মধ্যে ওই টাকা ক্যাশ করলেও এজেন্টদের মধ্যে বিতরণ করেননি। তিনি মুঠোফোন বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন।

দৌলতখানের মিজির বাজারের হাওলাদার স্টোরের মালিক হাসনাইন আহমেদ বলেন, তার মুঠোফোনে এক লাখ টাকা জমে আছে। ওই টাকা তিনি ক্যাশ করতে পারছেন না।

এ সম্পর্কে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র হালদার বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0177 seconds.