• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৬ মে ২০১৯ ২১:৫৭:৫৪
  • ২৬ মে ২০১৯ ২১:৫৯:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

অষ্টম শ্রেণি পাস ছাড়া মিলবে না ড্রাইভিং লাইসেন্স

ছবি : সংগৃহীত

গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস লাগবে। আর লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৭-এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিয়মিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

শফিউল আলম বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইনে শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। এই আইনের ৪০ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তিন বছরের কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইনে গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাসের বিধান রাখা হয়েছে। আর লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে গাড়ির হেলপার বা কন্ডাক্টরের (ভাড়া আদায়কারী) লাইসেন্স থাকাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর হেলপার ও কন্ডাক্টরের যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে, তাকে লিখতে ও পড়তে পারতে হবে। হেলপার বা কন্ডাক্টরের লাইসেন্স না থাকলে এক মাসের কারাদণ্ড বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।’

আইনে বলা হয়েছে, বেপেরোয়া গাড়ি চালালে ২ বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড, বেপরোয়া গাড়ি চালানোয় দুর্ঘটনা ঘটলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধার রাখা হয়েছে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নিহতের ঘটনা ঘটলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আমলযোগ্য অপরাধে বিনা পরোয়ানায় আটকের বিধান রাখা হয়েছে।’

শফিউল আলম বলেন, ‘আইনের ৪৫ ধারায় এ ধরনের ২৫টি নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনার মধ্যে প্রথম অংশে রয়েছে ১৪টি এবং অপর অংশে রয়েছে ১১টি। প্রথম অংশের নির্দেশনা অমান্য করলে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় অংশের নির্দেশনা অমান্য করলে একমাস কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।’

এছাড়াও মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন-২০১৭, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) আইন-২০১৭ আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘আগের মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আইনে সংস্থার প্রধান ছিল মহাপরিচালক। কিন্তু ইউনেস্কোর বিধান মতে পদটি পরিচালক করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিধানের সঙ্গে সমন্বয় করে এটি করা হয়েছে। এছাড়া আগে গভর্নিং বডি ছিল ২২ জন। এটাকে কমিয়ে ছয় জন করা হয়েছে। তবে বড় পরিসরে কার্যনির্বাহী কমিটি ২২ জনই রাখা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0197 seconds.