• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ২৫ মে ২০১৯ ২২:২৫:০৬
  • ২৫ মে ২০১৯ ২২:২৫:০৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সুজনের উপর ‘প্রতিশোধ’ নিতে চেয়েছিলেন ওয়াসিম

ছবি : সংগৃহীত

খালেদ মাহমুদ সুজন। বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার। কিন্তু একসময় ব্যাট-বল হাতে দাপিয়ে বেড়াতেন ২২ গজে। খেলোয়াড়ি জীবনটাও তাই অনেক স্মৃতি বিজড়িত। আর এবার নিজের একটা স্মৃতি রোমন্থন করলেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।

সময়টা ১৯৯৯। বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ। আর পাকিস্তান তাদের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হলো বাংলাদেশের। আর বাংলাদেশের কোচও সুজনকে নির্দেশ দিয়েছিল আগ্রাসী হতে। তাই সুজনও গুরুর কথা পালন করেছিলেন অক্ষরে অক্ষরে। সুজন যখন বোলিংয়ে ছিলেন, ব্যাটিংয়ে তখন ওয়াসিম আকরাম। প্রতিটি ডেরিভারী করার পর সুজন তেড়েফুঁড়ে যাচ্ছিলেন আকরামের দিকে। চোখে চোখ রেখে ছুঁড়ে দিচ্ছিলেন তির্যক বাক্য। সেই দৃষ্টি আর  সহজভাবে নেয়নি ওয়াসিম। কারণ নতুন একটি দলের একজন বোলারের কাছে এমন আচরণ অবশ্যই প্রত্যাশিত নয়।

তাই পাল্টা জবাব দেন ওয়াসিম। কভারে ফিল্ডিং করতে দাঁড়ানো আকরাম খানকে ডেকে সুজনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘তোমাদের ছোটুকে বল, ওকে আমি মেরে ফেলবো।’ কিন্তু ওয়াসিমের কথায় টলে যাননি সুজন। পুরো ম্যাচেই তিনি তার নীতিতে অটুট ছিলেন। আর বাংলাদেশও সে ম্যাচে জয় পেয়েছিল ৬২ রানে। 

একটা উদীয়মান দলের একজন ক্রিকেটারের কাছ থেকে এমন আচরণ কখনোই ভুলতে পারেননি ওয়াসিম। তাই প্রতিশোধ নিতে মুখিয়ে ছিল তার পরের বছরের এশিয়া কাপের জন্য। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ওয়াসিম তার পুরনো জেদ মেটাতে পারেননি। কারণ ওয়াসিম বোলিংয়ে আসার অনেক আগেই আউট হয়ে গেছিলেন সুজন। এই বাঁহাতি তাই সুজনকে না পেয়ে অন্য ব্যাটসম্যানদের বলেছিলেন, ‘কোথায় ছোটু? ও কি ব্যাটিংয়ে নামবে না?’

এ ব্যাপারে সুজনন বলেন, ‘ভাগ্যিস আমি আউট হয়ে গেছিলাম। না হলে ওয়াসিমের বাউন্সারে জর্জরিত হতে হতো।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0183 seconds.