• বাংলা ডেস্ক
  • ২২ মে ২০১৯ ১৪:৪০:৫৭
  • ২২ মে ২০১৯ ১৪:৪০:৫৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কমিশনের ইফতারে উচু-নিচু বৈষম্য!

ছবি : সংগৃহীত

মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনের ফোয়ারা চত্বরে ইফতার মাহফিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার, পুলিশ, সাংবাদিকসহ নির্বাচন কমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী। তবে সেই ইফতারে উচু-নিচু বৈষম্য করার অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠেছে, সিইসি, ইসি সচীবসহ ভিআইপিরা ইফতারে ভালো ভালো খাবার দেয়া হলেও তাদের অধীনস্ত সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভিন্ন খাবার দেয়া হয়েছে। সিইসিসহ বড় কর্মকর্তাদের সামনে ১৪ আইটেম পরিবেশন করা হলেও অন্যদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১১ আইটেম।

আরো অভিযোগ আছে, সাধারণ মানুষদের ট্যাং এর শরবত দেয়া হলেও ভিআইপিরা সেই শরবতের পাশাপাশি পান করেছেন পোস্তা বাদামের শরবত। এছাড়া ভিআইপিদের পাতে ছিল লাল আঙুর ও চিকেন ভুনা যা সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেয়া হয়নি। তাদের জন্য বরাদ্দ মেন্যুতে ছিল ট্যাং এর শরবত আর মাটন তেহারির প্যাকেট।

ওই ইফতারে অংশ নিয়েছিলেন গণমাধ্যমকর্মী কাজী হাফিজ। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মঙ্গলবার রাতেই তিনি ফেসবুকে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর সমালোচনা শুরু হয় নির্বাচন কমিশনের এমন ইফতার আয়োজন নিয়ে। অনেকে এমন কাণ্ডকে অবিবেচক ও অগ্রহণযোগ্য কাজ বলে মন্তব্য করছেন।

কাজী হাফিজ তার স্ট্যাটাসে লেখেন-

‘এই নির্বাচন কমিশনের পক্ষেই এমনটা সম্ভব। পবিত্র রমজানের ইফতার অনুষ্ঠানে এক ছাদের নিচে বসে আজ সাধারণ খাবারের অতিরিক্ত হিসাবে নিজেরা খেলেন পোস্তা বাদামের শরবত, লাল আঙ্গুর আর চিকেন ভুনা।

কমিশন সচিবালয়ের উঁচু পদের কর্মকর্তারাও এই বিশেষ ভোগ থেকে বঞ্চিত হননি। কিন্তু সাধারণ কর্মকর্তা- কর্মচারী আর সাংবাদিকরা এসব খাবার পেলেন না। ভিন্ন মেন্যুতে তাদের জন্য বরাদ্দ টেং এর শরবত আর মাটন তেহারির প্যাকেট । নির্বাচন কমিশনার আর কমিশনের উঁচু পদের কর্মকর্তাদের মেন্যুর সঙ্গে সাধারণ কর্মকর্তা -কর্মচারী ও সাংবাদিকদের মেন্যুটা পড়লেই বৈষম্যটি বুঝতে পারবেন।

সৌভাগ্যবানদের জন্য ১৪টি আইটেম আর হতভাগ্যদের জন্য ১১টি। এর মধ্যে সালাদের ক্ষেত্রেও পার্থক্য আছে। একপক্ষের জন্য মাখা সালাদ আর অন্যপক্ষের জন্য পিস ( শসার কয়েক টুকরা) সালাদ।’

তবে কমিশনের এমন ইফতার আয়োজনকে বৈষম্যমূলক বলা হলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

নির্বাচন কমিশন ইফতার

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0177 seconds.