• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ মে ২০১৯ ২০:২৮:৪৬
  • ১২ মে ২০১৯ ২০:২৮:৪৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

খেজুরের খরচ প্রতি কেজি ৬৭ টাকা, বিক্রি হচ্ছে দুই হাজারেও!

পুরনো ছবি

রমজানের আগের ছয় মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে শুকনো ও ভেজা খেজুর এসেছে ৩৫ হাজার ৪০৯ টন। ২৩৪ কোটি টাকায় এসব খেচুর আনেন ব্যবসায়ীরা। শুল্ক দেওয়ার পর প্রতি কেজির দাম পড়ে ৬৭ টাকা। অথচ বাজারে খুচরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার হাজার টাকা পর্যন্ত।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সৌদি আরবের আজওয়া খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে। মেকজেল খেজুর বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১ হাজার ৩০০ টাকা। ইরানের কামরাঙ্গা মরিয়মের কেজি ১০০০ টাকা, সাধারণ মরিয়ম ৯০০ টাকা, তিউনিসিয়ার প্যাকেটজাত খেজুর প্রতি কেজি ৪৬০ টাকা, দাবাস ২২০ টাকা, ফরিদা ৩০০ টাকা, বড়ই ২২০ টাকা, নাগাল ২০০ টাকা এবং বাংলা খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

প্রতি কেজি খেজুর আমদানি মূল্যের চেয়ে কমপক্ষে দুই গুণ এবং সর্বোচ্চ ২০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশের বাজারে।

কলেজ শিক্ষক এক ক্রেতা বলেন, ‘বেশ কিছু মিডিয়া মারফত জানলাম যে, আমদানিকৃত খেজুরের দাম পড়েছে ৬৭ টাকা কেজি। অথচ এসব খেজুর হাটহাজারীতে বিক্রি হয় কেজি ১৫০০ টাকা দরে। এ কোন বোকার স্বর্গ রাজ্যে বসবাস করছি আল্লাহ মালুম!’

এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রমজানে এবার তেল, চিনি, পেঁয়াজ, ছোলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল আছে। খেজুরের দাম কেন লাগামছাড়া, তা খতিয়ে দেখা উচিত। আমরা তো ছোট ব্যবসায়ী, সামান্য কিনে এনে বিক্রি করি। দেশের মানুষ কষ্ট পাক, এটা আমরাও চাই না।’

পৌর সদরের খেজুর ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, খেজুর পচনশীল পণ্য। যা আনা হয় তার অর্ধেক অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। তাই উন্নতমানের প্যাকেট খেজুরের দাম একটু বেশি।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

খেজুর চট্টগ্রাম বন্দর

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0203 seconds.