• ১১ মে ২০১৯ ২২:১২:৩০
  • ১১ মে ২০১৯ ২২:১২:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’, হাত-পা বেঁধে ড্রেনে নিক্ষেপ

ছবি : বাংলা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা গ্রামের বেতনীপাড়ায় ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে শুক্রবার রাতে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে ফেলে দিলো ড্রেনে। শনিবার ভোরে কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে পাশের বাড়িতে মোবাইল ফোনে চার্জ দিতে যায় তার মেয়ে। সে বাড়ি ফেরার পথে দুই যুবক তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ধর্ষণের পর মেয়ের হাত-পা ও মুখ বেঁধে মেয়েকে ডেনের মধ্যে ফেলে দেয় তারা। দুই যুবকের মধ্যে আলামিন নামের একজনকে সনাক্ত করতে পেরেছে তার মেয়ে। ঘটনার পর আলামিন আত্মগোপনে রয়েছে।

কিশোরীর মা বলেন, ‘রাতে পাশের বাড়িতে মোবাইল ফোনে চার্জ দিতে যাওয়ার পর থেকে আর মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে মেয়েরে বাবাও বাড়িতে নেই।  পরে মেয়ের বাবা বাড়িতে এলে রাতে অনেক খোজাখুজি করেও মেয়েকে পাওয়া যায়নি। ভোরে গ্রামের লোকজন খবর দেন, মেয়ে হাত পা বাধা অবস্থায় মাঠে ড্রেনের মধ্যে পড়ে আছে। মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখে ভেবেছিলাম, মেয়েটি মারা গেছে। পরে দেখি, মেয়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।’ পরে মেয়েটি রাতের ঘটনার পরিবারকে জানান।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. ইউনুচ আলী মোবাইল ফোনে বলেন, ‘মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে ড্রেনের মধ্যে ফেলে রাখা হয়। এমন অভিযোগ পরিবারে। তবে  ধর্ষণ কিনা তদন্তর পর জানা যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তুলে নেওয়ার সময় দুই যুবকের মধ্যে আলামিন নামের একজনকে সনাক্ত করতে পেরেছে মেয়েটি। এ বিষয়ে থানায় ধর্ষণ মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ঝিনাইদহ ধর্ষণ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0189 seconds.