• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১১ মে ২০১৯ ২০:০৭:১২
  • ১১ মে ২০১৯ ২০:০৭:১২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বাজেটে কর প্রত্যাহার ও সুরক্ষার দাবি তামাক চাষী সমিতির

ছবি : সংগৃহীত

’শিল্প বাঁচাও, তামাক চাষী বাঁচাও’ শিরোনামে বিড়ি শিল্পের উপর কর প্রত্যাহার ও তামাক চাষীদের সুরক্ষার দাবিতে শনিবার নীলফামারী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ তামাক চাষী ও ব্যবসায়ী সমিতি, নীলফামারী শাখা।

সংবাদ সম্মেলনে বহুজাতিক কোম্পানীর সিগারেটের ওপর অতিরিক্ত করারোপ, তামাক চাষীদের ন্যায্যমূল্য প্রদান এবং তাদের সুরক্ষার জন্য সরকারী নীতিমালা প্রণয়নের দাবী জানান সমিতির সভাপতি হামিদুল হক চেয়ারম্যান এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুম ফকির। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি শফিকুল্ ইসলাম তুহিন, ব্যবসায়ী নেতা আয়ুব হোসেন, কৃষক নেতা সালাউদ্দিন প্রমুখ।

সভাপতি হামিদুল হক চেয়ারম্যান বলেন, ‌‌‘দেশের উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে বৃহত্তর রংপুরে তামাক ছাড়া অন্য কোন ফসল ভালো হয় না। তামাক চাষ করেই চাষীদের জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। আর এ তামাক ব্যবহার হয়ে থাকে বিড়ি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে। বিড়ির ওপর সাম্প্রতিক সময়ে মাত্রা অতিরিক্ত করারোপের ফলে কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উৎপাদিক তামাক বিক্রি হচ্ছে না। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাজার হাজার তামাক চাষী। রংপুর অঞ্চলের যা মারাত্মক আর্থিক সংকট তৈরি করছে। অর্থনীতিতেও বিরুপ প্রভাব দেখা দিচ্ছে।’

সাধারণ সম্পাদক মাসুম ফকির বলেন, বিড়ি একটি কুটির ও শ্রম ঘন শিল্প। এর সাথে লাখ লাখ মানুষ জড়িত। প্রতিবেশী দেশ ভারতে যেখানে বিড়িকে কুটির শিল্প হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশে বিড়ির ওপর অতিরিক্ত করারোপ করে এই শিল্পকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ভারতে যে সব কারখানায় ২০ লাখ স্টিকের নিচে বিড়ি তৈরি হয় সেসব কারখানাকে কোন শুল্ক দিতে হয় না। অথচ বাংলাদেশে সব ধরণের কারখানাকে শুল্ক দিতে হয়। ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে শুল্ক ১৮ গুণ বেশি। ভারতে এক হাজার বিড়িতে শুল্ক মাত্র ১৪ টাকা। বাংলাদেশে ২৫২ টাকা ৫০ পয়সা। 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0193 seconds.