• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৯ মে ২০১৯ ২২:৩৩:৫৬
  • ১০ মে ২০১৯ ১৭:১৬:১৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

প্রাণ-ড্যানিশ-ফ্রেসসহ ৬ কোম্পানির হলুদেও ভেজাল

ছবি : সংগৃহীত

প্রাণ-ড্যানিশসহ ৬টি দেশীয় কোম্পানির হলুদের গুড়া নিম্নমানের বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সম্প্রতি রমজান উপলক্ষ্য বিএসটিআই বাজার থেকে ৪০৬টি পণ্য সংগ্রহ করে পরীক্ষার করে। গত বৃহস্পতিবার (২ মে) মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষা করার পরে ৩১৩টি পণ্য তালিকার ৫২টি কোম্পানির ৫২টি পণ্য নিম্নমানের বলে জানায় বিএসটিআই। সেখানে প্রাণ, ড্যানিশ ও ফ্রেসসহ ৬টি কোম্পানির হলুদের গুড়া নিম্নমানের বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিএসটিআই’এর গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার এক সপ্তাহের মাথায় হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মে) আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খান জনস্বার্থে এ আবেদনটি করেন।

বিএসটিআই’এর তালিকা ভুক্তো এসব নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার ও গুণগত মান উন্নত না হওয়া পর্যন্ত পণ্য গুলোর উৎপাদন বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয় সেই রিটে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি হবে।

বিএসটিআই’এর তালিকায় উল্লেখ করা নিম্নমানের হলুদ গুড়ার কোম্পানি গুলো হলো- প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের প্রাণ হলুদ, কুষ্টিয়ার সান ফুডের সান হলুদ, ড্যানিশ ফুড লিমিটেডের ড্যানিশ হলুদ, নারয়ণগঞ্জের তানভীর ফুড লিমিটেডের ফ্রেস হলুদ, রাজশাহীর মেসার্স আব্বাস আলীর মুদির দোকানের ডলফিন হলুদ ও সিলেটের মেসার্স মঞ্জিল ফুড এন্ড প্রোডাক্টসের মঞ্জিল হলুদ। এছাড়া প্রাণ ও ড্যানিশের কারী পাউডারও নিম্নমানের প্রমাণিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিএসটিআইয়ের পরিচালক (সিএম) প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলী বলেন, ‘অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে এরইমধ্যে সতর্ক করে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। অচিরেই এসব কোম্পানিতে অভিযান চালানো হবে। এরপরেও যদি পণ্যের গুণগত মান ঠিক না করা হয় তবে এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ইসহাক আলী আরো বলেন, ‘রমজান মাসে সরিষার তেল, লবণ, হলুদ ও মরিচের গুড়া, লাচ্ছা সেমাই, ঘি ও দই বেশি ক্রয় করে সাধারণ মানুষ। এর বাইরে পানির প্রয়োজন হয়। এসব পণ্য নিম্নমানের হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করতে হয়েছে। আমরা কি খাই প্রতিদিন- এই চিত্র দেখলেই বোঝা যায়। প্রতিবেদনের কপি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’ অচিরেই এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন পরিচালক।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0177 seconds.