• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৯ মে ২০১৯ ১৭:০০:২৪
  • ০৯ মে ২০১৯ ১৭:০২:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখতে পারবেন আপনিও!

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের ওড়িশাকে বিপর্যস্ত করে দেয়া ঘূর্ণিঝড়ের ‘ফণী’ নামটি দিয়েছিল বাংলাদেশ। উত্তর ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় নামকরণের রেওয়াজ শুরু হওয়ার পরে ২০০৪ সালে ঘূর্ণিঝড়ের প্রথম নামটি তারাই দিয়েছিল। সেই নামটি ছিল ‘অনিল’।

কিন্তু এই এলাকার আট দেশের দেওয়া ৬৪ নামের তালিকা ফুরিয়ে আসছে। বাকি আছে মাত্রই সাতটি নাম। যদিও ঘূর্ণিঝড় তৈরির বিরাম নেই। আগামী দিনে এই এলাকায় তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়দের নাম কী হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

তবে আবহাওয়া ভবনের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দ বাজারের খবরে বলা হয়েছে, শীঘ্রই নতুন নামের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে।

সেই নামকরণ প্রক্রিয়ায় সাধারণ নাগরিকেরাও যোগ দিতে পারেন বলে জানাচ্ছেন কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের ঘূর্ণিঝড় বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। তিনি বলেন, ‘শীঘ্রই নতুন তালিকা তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে। নাগরিকেরা তাদের প্রস্তাবিত নাম আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন।’ আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগ সূত্রের খবর, দিনক্ষণ স্থির হলে ওয়েবসাইটে এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

আবহাওয়াবিদরা জানান, নামকরণের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আছে। যেমন, এমন নামই দেওয়া উচিত, যা ছোট হবে এবং সহজে উচ্চারণ করা যাবে। নামের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে এবং সেই শব্দে কোনও রকম ব্যঙ্গ বা বিদ্রুপ থাকলে চলবে না। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের নানান তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত, মানুষের মতোই প্রতিটি ঝড়কে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা এবং তার সবিস্তার তথ্য নথিভুক্ত করা সম্ভব। দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট নাম দিলে মানুষের পক্ষেও ঘূর্ণিঝড়ের নাম মনে রাখা এবং তার সম্পর্কে সচেতন হওয়া সহজ হয়। একসঙ্গে দু’টি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলেও বিভ্রান্তি তৈরি হয় না। কোনও ব্যক্তির নামেও ঘূর্ণিঝড় চিহ্নিত করা হয় না। কেউ কেউ বলছেন, ভাগ্যিস হয় না! তা যদি হত, এই ব্যক্তিপূজার দেশে নেতানেত্রীদের নামও ঝড়ের তালিকায় ঢুকে পড়ত।

নামকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে আবহাওয়া ভবনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, উত্তর ভারত মহাসাগরীয় এলাকার (আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর যার অন্তর্ভুক্ত) আটটি দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড নিজেদের সংস্কৃতি ও ভাষার ভিত্তিতে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করে। তার পরে যৌথ বৈঠকে নাম-তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তালিকা তৈরি হয় দেশের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষরের ক্রমানুসারে এবং সেই তালিকা ধরেই দেওয়া হয় ঘূর্ণিঝড়ের নাম। এই সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে আবহাওয়া ভবনের অধীন দিল্লির ‘রিজিওনাল স্পেশ্যালাইজ়ড মেটেরিওলজিক্যাল সেন্টার’।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ভারত ঘূর্ণিঝড়

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0085 seconds.