• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ০৯ মে ২০১৯ ১৫:১৬:৪১
  • ০৯ মে ২০১৯ ১৫:১৬:৪১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

খেলতে খেলতেই ইফতার

ছবি : সংগৃহীত

বুধবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নেদারল্যান্ডসের ক্লাব আয়াক্স এবং ইংল্যান্ডের ক্লাব টটেনহাম হটস্পার। ম্যাচে ৩-২ গোলে জিতে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে টটেনহাম।

এদিকে খেলায় হারলেও দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে আয়াক্সের দুই খেলোয়ার। তারা হলেন মরোক্কান বংশোদ্ভূত আয়াক্স ফুটবলার নুসাইয়ের মাজরাউই আর হাকিম জায়েচ।

ইসলাম ধর্মের সব থেকে পবিত্র মাস মাহে রমজান। আর সারা বিশ্বের মুসলিমরা রোযা রেখে পালন করেন এই মাস। সবার আগে যে সৃষ্টিকর্তার হুকুম পালন করতে হবে তার উদাহরণ হয়ে দেখালেন আয়াক্সের এই দুই ফুটবলার।

টটেনহামের সাথে চ্যাম্পিয়নস লিগের বাঁচা মরার লড়াই। নিজেদের রূপকথাকে বাস্তবে পরিণত করার সময়। তবে তাতে কি? সৃষ্টিকর্তার হুকুম পালন করতে হবে সবার আগে। তাই তো চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি ফাইনাল হওয়া স্বত্বে রোযা ভঙ্গ করেননি মরোক্কান বংশোদ্ভূত নুসাইয়ের মাজরাউই এবং হাকিম জায়েচ।

সময়ের ব্যবধানের কারণে নেদারল্যান্ডসে রোযা রাখতে হয় প্রায় ১৬ ঘণ্টা। আর এই দুই মরোক্কান রোযা রেখেই মাঠে নামেন খেলতে। একবার ফুটবল মাঠে নেমে গেলে বের হওয়ার নিয়ম নেই। তাই তো প্রয়োজনীয় সকল কাজ সারার নিয়ম মাঠের ভেতরেই।

ডাচদের সময় অনুযায়ী ইফতারির সময় রাত ৯টা। আর এ সময়েই চলছিল নিজেদের রূপকথাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার লড়াই। মাঠ ছেড়ে বের হওয়ার নিয়ম নেই। তাই খেলা চলাকালীন ২১ মিনিটের মাথায় মাঠের ভেতরেই ইফাতারি সারলেন নুসাইয়ের এবং জায়েচ। শেষ পর্যন্ত আয়াক্স ৩-২ গোল হেরে সেমি ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও কোটি ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে তারা।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0202 seconds.