• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৮ মে ২০১৯ ১৭:৩৯:০৮
  • ০৮ মে ২০১৯ ১৯:১০:৩৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

থানা থেকেই অস্ত্র চুরি

ছবি : সংগৃহীত

থানা থেকে দিনের বেলা একটি সরকারি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি চুরি করা হয়েছে। রোববার রাজধানীর শাহবাগ থানাতে এ চুরির ঘটনাটি ঘটে। পরে থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সন্দেহভাজন একজনকে শনাক্ত করা হলেও এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, একটি যুবকের পরনে গ্যাবার্ডিন প্যান্ট ও সাদা স্ট্রাইপ শার্ট। পিঠে ঝোলানো ছিল ব্যাগ, মুখে লম্বা দাড়ি। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে সে থানা চত্বরে ঢুকে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশ্রামকক্ষে যায় এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

আর এ ঘটানার পর পরেই একজন সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) অস্ত্র-গুলি উধাও হয়ে যায়। শাহবাগ থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে।

এ নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ‘ঘটনাটির তদন্ত চলছে। কে বা কারা কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। অস্ত্র হেফাজতে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় এএসআই হিমাংশু সাহাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

ডিএমপির সূত্র মতে জানা যায়, ওই দিন দুপুরে এএসআই হিমাংশু দায়িত্ব পালন শেষে থানা ভবনের দোতলায় বিশ্রামকক্ষে যান। আর দুপুর ২টা ২৫ মিনিট থেকে পরের দুই ঘণ্টার মাঝে এ চুরির ঘটনাটি ঘটে। পরে তিনি দেখতে পান তার পিস্তল ও দুটি ম্যাগাজিন নেই। অনেক খুঁজেও সেগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বিশ্রামকক্ষের ভেতর সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকলেও বাইরের একটি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, শাহবাগ থানার সাব-কন্ট্রোল রুমের পাশের রাস্তা দিয়ে এক যুবক এসে সোজা দোতলায় উঠে যায়। ঢোকা ও বের হওয়ার সময় তাকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে অথবা কথা বলার ভান করতে দেখা গেছে।

তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই যুবকই চুরির সাথে জড়িত। কারণ কাছাকাছি সময়ে সন্দেহজনক আর কাউকে দোতলায় যেতে দেখা যায়নি। তবে ভেতর থেকে কেউ তাকে কোনো প্রকার সাহায্য করেছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহভাজন সেই যুবক কোনো উগ্রপন্থি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, থানায় সেবা নিতে আসা লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মানুষ আসেন। সবাইকে সেভাবে তল্লাশি বা পরিচয় নিশ্চিত করে ভেতরে ঢুকতে দেয়ার বিষয়টি সব সময় নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। আর এই সুযোগই নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহল। পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দারাও ছায়াতদন্ত করছেন।

এ প্রসঙ্গে শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানান, চুরি হওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধারে নানা দিক থেকে তৎপরতা চলছে। আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই চুরিতে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0203 seconds.