• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৭ মে ২০১৯ ২৩:০০:১৬
  • ০৭ মে ২০১৯ ২৩:০৪:৩৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

‘এতো নিচে কেউ নামেননি’, মোদির বিরুদ্ধে ২০৭ অধ্যাপকের বিবৃতি

নরেন্দ্র মোদি। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের প্রতিবাদ করে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০৭ জন অধ্যাপক বিবৃতি দিয়েছে। নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যে দেশটির প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে এক নম্বর ভ্রষ্টাচারী (দুর্নীতিবাজ) বলে মন্তব্য করেছিলেন মোদি। ওই বিবৃতিতে রাজীবকে নিয়ে মোদির মন্তব্য অপমানজনক ও মিথ্যে বলে উল্লেখ করেন তারা।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা সংবাদ প্রতিদিন এ খবর প্রকাশ করে।

রাফালে চুক্তির মাধ্যমে মোদি দেশটির ব্যবসায়ী অনিল আম্বানিকে অনৈতিকভাবে সুবিধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ (পাহারাদার চোর) বলে স্লোগানও তুলছিলেন। বিষয়টি নিয়ে এতদিন চুপ থাকলেও শনিবার মুখ খুলেন নরেন্দ্র মোদি।

এর উত্তর দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করতে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রাজীব গান্ধীকেই অপমান করে বলেন, ‘তোমার বাবাকে ‘মিস্টার ক্লিন’ হিসেবে জনগণের সামনে তুলে ধরেছিলেন তার সঙ্গীরা। কিন্তু, তার জীবন শেষ হয় এক নম্বর দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে।’

আর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সোমবার রাতে একটি লিখিত বিবৃতি প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ওই অধ্যাপকগণ।

বিবৃতে উল্লেখ করেন, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রাজীব গান্ধী দেশের সেবা করতে গিয়ে নিজের প্রাণ দিয়েছেন। গোটা দেশের মানুষ তা খুব ভাল করে জানেন। কিন্তু, তার মতো মানুষের নামে অসত্য ও অপমানজনক মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি এতটাই নিচে নেমেছেন যা আগে কোনো প্রধানমন্ত্রী নামেননি। আজ ভারত যেখানে দাঁড়িয়ে আছে তার পিছনে রাজীব গান্ধীর ভূমিকা কখনই অস্বীকার করা যাবে না। কারগিল থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর পর রাজীব গান্ধীর জয়ধ্বনিই দিয়েছিলেন সৈনিকরা। মৃত্যুর একযুগ পর তার জয়ধ্বনি করার মূল কারণ ছিল বোফর্স ভারতে আনার পিছনে রাজীব গান্ধীর দূরদর্শিতা।

সেখানে আরো বলা হয়, এমনকী প্রতিবছর দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি প্রতিবছর যে বিদেশি টাকা রোজগার করে তার পিছনেও রাজীব গান্ধীর অবদান আছে। পাশাপাশি আজ দেশের টেলিকম সেক্টরে যে বিপ্লব এসেছে তা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা ও নীতির জন্যই সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এই বিবৃতিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি আদিত্য নারায়ণ মিশ্র, বর্তমান সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই এগজিকিউটিভ কাউন্সিল সদস্যসহ মোট ২০৭ জনের স্বাক্ষর রয়েছে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0227 seconds.