• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৪ মে ২০১৯ ০২:১১:৫৪
  • ০৪ মে ২০১৯ ০২:১৩:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ফিলিস্তিনকে যে লোভ দেখাচ্ছে সৌদি যুবরাজ

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন শান্তি চুক্তি মেনে নেয়ার জন্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের উপর সৌদি আরবের চাপ অব্যাহত রয়েছে। ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি নামে পরিচিত তথাকথিত এই শান্তি চুক্তি গ্রহণ করলে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ১ হাজার কোটি ডলার দেয়া হবে বলে প্রস্তাব করেছেন সৌদি যুবরাজ। সম্প্রতি লেবাননের আল আখবার পত্রিকায় এই খবর প্রকাশিত হয়।

আল আখবারের প্রতিবেদনে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের(এমবিএস) সঙ্গে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের একটি বৈঠকের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়। আল আখবারের খবর অনুযায়ী, এমবিএস মার্কিন শান্তি চুক্তির বিস্তারিত রূপরেখা ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন। এবং এই চুক্তি মেনে নেয়ার জন্য বলেন।

বৈঠক চলাকালীন সময়ে এমবিএস আব্বাসের কাছে তার পরিষদবর্গের বার্ষিক বাজেটের তথ্য জানতে চান। এসময় আব্বাস বলেন, ‘আমি যুবরাজ নই যে আমার নিজস্ব পারিষদবর্গ থাকবে।’

এরপর সৌদি যুবরাজ দশ বছরের জন্য তাকে ১ হাজার কোটি ডলার দেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে এই অর্থের পরিবর্তে তাকে মার্কিনীদের শান্তি চুক্তি মেনে নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন।  এছাড়া ইসরায়েল দখলকৃত জেরুজালেমের উপর ফিলিস্তিনিদের দাবি ছেড়ে দিয়ে ফিলিস্তিনি সরকারের কার্যালয় আবু দিসেই রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়।

অবশ্য আল আখবারের খবর অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট এমবিএসের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘এটি গ্রহণ করার অর্থ হলো আমার রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি ঘটানো।’

মাহমুদ আব্বাস সৌদি যুবরাজকে ব্যাখ্যা করে জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপন, দুই রাষ্ট্র নীতি এবং জেরুজালেম প্রশ্নে কোন ছাড় দেয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।

তিনি এমবিএসকে আরো জানান, মার্কিনীদের উচিত হবে না ফিলিস্তিনিদের কাছে শান্তিচুক্তির নামে এধরনের কোন প্রস্তাব দেয়া। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অনুপযুক্ত কোন প্রস্তাব যদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে মেনে নিতে বাধ্য করা হয় তাহলে এর পরিণতি ভালো হবে না।

এদিকে ২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জারেড কুশনার জানিয়েছেন, রমজান মাস শেষে অর্থাৎ জুনের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন শান্তি চুক্তির রূপরেখা প্রকাশিত হবে। এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিনীদের আকাঙ্ক্ষা জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা বলে যেন মনে না হয় এই ব্যাপারে তিনি জোর দেন। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার একজন ইহুদী ধর্মাবলম্বী এবং তার সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলা/এফকে

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0177 seconds.