• বাংলা ডেস্ক
  • ২০ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৫০:৫১
  • ২০ এপ্রিল ২০১৯ ২২:৫০:৫১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

খুঁজে বের করুন, কে এই অপরাধী : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

‘গাছে বেঁধে এক কিশোরীকে নির্যাতন করা হচ্ছে’ এমনই একটি ছবি ঘুরছে ফেসবুকে। সেই ছবিটি দেখে নিন্দার ঝড় উঠে সবার মধ্যে। শেষমেষ ছবিটিতে চোখে পড়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের। এরপরই সেই কিশোরীকে নির্যাতনকারী কে তা জানতে চেয়েছেন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাহেরা বেগম জলি নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ওই কিশোরীর ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘হে সভ্যতা শিহরিত হও’।

তাহেরা বেগম জলি আরও লেখেন, ‘গত ১০০ দিনে আমাদের দেশে ৩৯৬ জন নারী শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই খবরগুলো প্রকাশ্যে এসেছে। দুর্ঘটনার একটা বড় অংশ লোচক্ষুর আড়ালেই থেকে যায়। ইট-পাথরের কারাগারে তারপরও পরম সুখে আছি আমরা।’

এরপরই ছবিটি ভাইরাল হয় ফেসবুকে। একপর্যায়ে শেয়ার পোস্টটি চোখে পড়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের। তিনি নির্যাতকারীর পরিচয় জানতে চেয়ে তার ফেসবুকে লেখেন,  ‘কোনো সভ্য সমাজে কি এমনটি ঘটতে পারে? একটি কিশোরীকে এভাবে অত্যাচার করার জন্য বেঁধে রাখাটাই কি কোনো সভ্য মানুষ করতে পারে? অনুগ্রহ করে খুঁজে বের করুন—অপরাধী কে। লামায় কি কেউ নেই?’

ইমতিয়াজ কানন নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর ওয়াল থেকে ছবিটি শেয়ার করেন মন্ত্রী।

এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহার জানান, উপজেলার ফাইচং এলাকায় গত বছর একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর একটি দল অপর দলের লোকজনকে পুনরায় মারধরের জন্য এসে ওই কিশোরীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে।

গতবছরের ছবি নতুন করে ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে ওসি বলেন, ফেসবুকে কারও ওয়াল থেকে হয়তো মেমোরিতে আসে ছবিটি। পরে তিনি হয়তো আবার শেয়ার দেন। লামায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে সমাধান করা হবে। অপরাধীরা ছাড় পাবেন না বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0235 seconds.