• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৫:০০:১৬
  • ১৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৫:০০:১৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

জনপ্রতিনিধির সুপারিশে সুদ মওকুফ করবে রাকাব

ছবি : সংগৃহীত

কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে খেলাপি ঋণের সুদ মওকুফ নীতিমালা শিথিল করেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি ও স্কুল শিক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে সুদ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষায়িত এ ব্যাংক। এর আগে পোলট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাতের উপজেলার সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তার প্রত্যয়নে সুদ মওকুফ করা হতো।

পোলট্রি, ডেইরি, মৎস্যের মতো কৃষিভিত্তিক প্রকল্পের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে উপজেলার প্রাণি বা মৎস্যসম্পদ কর্মকর্তা বা সংশ্নিষ্ট বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তার মতামত বা প্রত্যয়ন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। এসব ক্ষেত্রে মুরগি, গাভী ও মাছের মড়ক, নিম্নমানের বাচ্চা ও ডিমের দাম কমে যাওয়াকে প্রকল্পের লোকসান বা রুগ্‌ণ হয়ে পড়ার কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এখন থেকে এ ধরনের ঘটনায় উপজেলার কর্মকর্তাদের মতামত বা প্রত্যয়নের পরিবর্তে ঋণগ্রহীতার এলাকার দু'জন গণমান্য ব্যক্তির মতামত বা প্রত্যয়ন হলেই সুদ মওকুফ করা যাবে। গণ্যমান্য ব্যক্তি বলতে একজন স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং ওই এলাকার মাধ্যমিক অথবা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে বোঝানো হয়েছে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মড়ক, নদীভাঙন বা দুর্দশাজনিত কারণে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদ মওকুফ করতে পারে রাকাব। পর্ষদ চাইলে ঋণে বিনিয়োগ করা অর্থের খরচ (কস্ট অব ফান্ড) আদায় না করেও ছাড় দিতে পারে। 

সম্প্রতি রাকাবের পর্ষদের সুদ মওকুফ নীতিমালা সংশোধন করা হয়। সভায় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নীতিমালায় কৃষিভিত্তিক প্রকল্পের ক্ষেত্রে যে নির্দেশনা রয়েছে, তা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ১৯৯৫ সালের আগে বা পরের পুরনো ঋণগ্রহীতাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগে বা মড়কে খামারের ক্ষতি হয়েছে এমন তথ্য উপজেলার সংশ্নিষ্ট অফিসগুলোতে সংরক্ষিত নেই। ফলে উপজেলার সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রত্যয়ন দিতে আগ্রহ দেখান না। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘সুদ মওকুফের জন্য উপজেলার সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তা বা স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি এদের যে কারও কাছ থেকেই প্রত্যয়ন নেওয়ার বিষয়টি খামাকা। কারণ গ্রাহককে ব্যাংক যতটা জানে, তার তথ্য-উপাত্ত ব্যাংকের কাছে যতটা থাকে, তা উপজেলা কর্মকর্তা বা স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে থাকে না। ব্যাংকের ভেতরেই সুদ মওকুফে একটা কমিটি থাকতে পারে।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0187 seconds.