• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৬ এপ্রিল ২০১৯ ১৫:৪৭:০৮
  • ১৬ এপ্রিল ২০১৯ ১৬:২০:৩৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আগুনে পুড়লো জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ

আল-আকসা মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ছবি। ছবি: রাশিয়া টুডে থেকে নেয়া

মুসলিমদের দ্বিতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থান জেরুসালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুনে পুরে গেছে ঐতিহাসিক মসজিদটির বহু পুরনো মারওয়ানি প্রার্থনা কক্ষ। তবে পুরো মসজিদে আগুন ছড়িয়ে পরার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে ইসলামিক ওয়াকফের ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা।

ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়াল এ খবর জানায়।

সূত্রের উদৃতি দিয়ে সেই খবর বলা হয়, সোমবার এই মসজিদের প্রার্থনা ঘরের বাইরে নিরাপত্তা কর্মীদের ঘরে আগুন লাগে। সেখান থেকেই আগুন বিরাট আকার ধারণ করে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবাদত কক্ষতে। পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায় মারওয়ানি এবাদত কক্ষ যা ‘সলোমন’স স্টেবল’ নামে বেশি পরিচিত।

অগ্নিকাণ্ডের সময় মসজিদে প্রতিদিনের মতো করে প্রার্থনা চলছিল। আর আগুনের ধোঁয়া দেখে সবার মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায়, সবাই এদিক সেদিক দৌড়োদৌড়ি ও আর্তনাদ করতে থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ধোঁয়ার কুণ্ডলী বিশাল আকার ধারণ করে ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। দমবন্ধ পরিবেশ থেকে বাঁচার জন্য মানুষ ছোটাছুটি করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুড়ে ছাই করে দেয় পুরো মারওয়ানি প্রার্থনা করার কক্ষটিকে।

জেরুজালেমের পুরাতন শহরে অবস্থিত এই আল-আকসা মসজিদে প্রার্থনা করার জন্য আসে মুসলিম ও ইহুদিরা। ইহুদিদের কাছে আল-আকসা ‘টেম্পল মাউন্ট’ এবং মুসলিমদের কাছে এটি ‘নোবেল স্যাঙ্কচুয়ারি’ নামে পরিচিত। সপ্তম শতকে তৈরি প্রাচীন মার্বেল পাথরে মোড়া এই ধর্মীয়স্থানটি মুসলমান ও ইহুদি এ দুই সম্প্রদায়ের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র। শুক্রবারের প্রার্থনায় যোগ দিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয় পবিত্র এই ধর্মীয়স্থানে।

মারওয়ানি প্রার্থনা করার কক্ষটি মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণায় অবস্থিত। ১৮৯০ সালে যখন এই মসজিদের নক্সা তৈরি হয়, মুসলিমরা আল-আকসার এই প্রার্থনা ঘরকে বলতেন হারাম অল-শরিফ।

আল আকসার পরিচালন কমিটি এবং জেরুসালেম ওয়াকফের ডিরেক্টর জেনারেল শেখ আজাম অল-কাতিবের বলেন, ‘প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে এই প্রার্থনা কক্ষটির বাইরে নিরাপত্তাকর্মীদের ঘর থেকেই আগুন ছড়িয়েছে। তবে কী ভাবে আগুন লাগলো সেটা এখনো অজানা। ফায়ারসার্ভিসের কর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, না হলে বড় বিপর্যয় হতে পারত।’

এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ আব্বাস বলেছেন, ‘সেই সময় মসজিদে উপস্থিত সব মানুষই সুরক্ষিত আছেন। তবে প্যারিসের ঘটনা খুবই ভয়াবহ ও দুঃখজনক। সেখানকার বন্ধুদের জন্য আমার সমবেদনা রইল।’

উল্লেখ্য, গত রাতে ঠিক একই সময়ে প্যারিসে খ্রীষ্টানদের ঐতিহাসিক নতর দাম ক্যাথিড্রাল চার্জে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।  

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0199 seconds.