• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ এপ্রিল ২০১৯ ২০:২৪:০৩
  • ১৩ এপ্রিল ২০১৯ ১০:২৫:০৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর লাশ, ৫ শিক্ষক গ্রেপ্তার

মো. হাবিবুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের ওমর ফারুক আল ইসলামীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্র মো. হাবিবুর রহমানের (১১) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ পাঁচ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার শিক্ষকরা হলেন- মাদ্রাসার শিক্ষক তারেকুর রহমান, অধ্যক্ষ আবু দারদা মো. জোবায়ের, মো. আনাস আলী ও মো. আব্দুস সামাদ।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা আনিসুর রহমান মামলা করার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয় তাদেরকে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, ‘দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করেছেন হাবিবুরের বাবা আনিসুর রহমান।’ তিনি বলেন, ‘মামলার এজাহারে তারেক ও আবু দারদার নাম উল্লেখ করে সন্দেহভাজন আরো ছয়-সাতজনকে আসামি করেছেন আনিসুর।’

ওসি আরো বলেন, ‘মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও হাফেজ তারেকসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। মামলা হওয়ার পর তাদের পাঁচজনকেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তে অন্য যাদের নাম আসবে তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হবে।’

গত বুধবার (১০ এপ্রিল) রাতে নগরীর ওয়াজেদিয়া এলাকা অবস্থিত ওমর ফারুক আল ইসলামীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মসজিদ থেকে হাবিবের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বললেও তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে হাবিবের পরিবার। হাবিবকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে তাদের ধারণা।

হাবিব ওই মাদ্রাসার হেফজ শ্রেণিতে পড়ত। তাদের গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলার মধ্য বোয়ালখালী পশ্চিম পাড়ায়। তার বাবা আনিসুর রহমান চট্টগ্রাম নগরীতে অটো রিকশা চালান। তবে তাদের পরিবার থাকে শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকায়। আর মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে থেকে লেখাপড়া করত হাবিব।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0207 seconds.