• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ এপ্রিল ২০১৯ ২২:২৯:৪৩
  • ১০ এপ্রিল ২০১৯ ২২:২৯:৪৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

প্রথমবার ব্ল্যাকহোলের ছবি প্রকাশ

ছবি : সংগৃহীত

এই প্রথমবার দূরবর্তী ছায়াপথে অবস্থিত ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের একটি ছবি তুলতে সক্ষম হলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।  বুধবার বিশ্বজুড়ে এটির ছবি প্রকাশিত হয়। কৃষ্ণগহ্বরটি আকারে পৃথিবীর ৩০ লাখ গুণ বড়।

বুধবার অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্সে এই ব্যাপারে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।  বিজ্ঞানীরা এই কৃষ্ণগহ্বরটিকে দানব বলে বর্ণনা করেছেন।

এটি ৫০০মিলিয়ন ট্রিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।  বিশ্বজুড়ে নিয়োজিত শক্তিশালী আটটি টেলিস্কোপের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তোলা হয়।

নেদারল্যান্ডসের রেডবাউন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হেইনো ফালকে বিবিসিকে জানান, এম ৮৭ নামক ছায়াপথে এটি পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পুরো সৌর জগতের চেয়ে আকারে বড় এই কৃষ্ণগহ্বর।  এটি সবচেয়ে বড় সত্যি বলতে কি দানবই বলা যেতে পারে।  একে মহাবিশ্বে ব্ল্যাকহোলের হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন বলা যেতে পারে। ’

এক শতকেরও বেশি আগে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন মহাবিশ্বের আলোক শোষণকারী এই দানবগুলোর ব্যাপারে ধারণা দিয়েছিলেন।  এরপর দশকেরও উপর পর্যবেক্ষণের পর এগুলোর অস্তিত্বের ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন। 

কৃষ্ণগহ্বরটি দেখতে জ্বলন্ত কমলার মত। এছাড়া এতে হলুদ এবং কাল রিংও রয়েছে।  হাভার্ডের শেপার্ড ডোলমেন বলেন, ‘আমরা যেটিকে অদর্শনীয় বলে ভেবেছিলাম, অবশেষে সেটিকে দেখতে পেয়েছি। আমরা কৃষ্ণগহ্বরের দেখা পেয়েছি এবং এটির ছবিও তুলেছি। ’   

নতুন এই আবিষ্কার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বলে মত প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। বিগত ৩০ বছর ধরে শিল্পীরা কাল্পনিকভাবে জ্বলন্ত কমলা রঙের বলয়ের ভিতরে কালো পদার্থের  কৃষ্ণগহ্বরের যে ছবি এঁকেছেন অবশেষে তা বাস্তব রূপ পেয়েছে।  মুলত কৃষ্ণগহ্বর মহাকাশের এমন একটি বিশেষ স্থান যেখান থেকে কোন কিছু এমনকি আলো পর্যন্ত বের হয়ে আসতে পারে না।  

বাংলা/এফকে  

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0178 seconds.