• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ এপ্রিল ২০১৯ ২২:০৩:৩৩
  • ১০ এপ্রিল ২০১৯ ২২:০৩:৩৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

অভিযানের নামে রাসিকের মশা নিধন অভিনয়!

ছবি: বাংলা

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৬ এপ্রিল ‘মশা নিয়ন্ত্রণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়’ সপ্তাহব্যাপী অভিযানে নামে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। বিশেষ করে মশা নিধনের এই অভিযান ১২ এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও ইতোমধ্যেই সব ধরনের কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গেছে।

ফলে মশার অত্যাচারে অতিষ্ট শিক্ষার্থীরা এ অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, মশা নিধন অভিযান পরিচালনার নামে দায়সারা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় ক্যাম্পাসের মশা নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি দেখভাল করে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। নিয়মিত এ দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও উল্টো তাদের কাজে অবহেলার অভিযোগই নিয়মিত।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত দোকানপাট, দোকানগুলোর বর্জ্য, অপরিচ্ছন্ন জঙ্গল, ময়লা ড্রেনসহ পরিচ্ছন্নতায় কর্তৃপক্ষের নজর না থাকায় প্রতিবছরই মশার প্রজনন চরম মাত্রায় পৌঁছায়। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে আবাসিক হলে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর। মশার অত্যাচারে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ স্বাভাবিক জীবনযাপনে ভোগান্তি পোহাতে হয় এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

সবশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম আব্দুস সোবহানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসে পরিষ্কার অভিযান চালায় সিটি কর্পোরেশন। রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি (প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর) সরিফুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম পিন্টু ও রাসিকর কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলারের উপস্থিতিতে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে প্রায় ১০০ শ্রমিক কাজ করবেন বলেও সেসময় জানান তারা। 

এই অভিযান নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যেসব স্থানে মশার উৎপত্তি হয়, হলের আশপাশ, ঝোঁপঝাড় বা ড্রেনগুলোতে বিশেষ করে আবাসিক হল এলাকাগুলোতে মশা নিধনে স্প্রে করা হয়নি। কিছু শ্রমিক দিয়ে অপ্রয়োজনীয় জায়গাগুলোই পরিষ্কার করা হয়েছে।

মাদার বখ্শ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাশেদ শুভ্র অভিযোগ করেন, সিটি কর্পোরেশন মশা নিধন অভিযান চালানোর পরও মশার উপস্থিতি একটুও কমেনি। বরং দিন দিন তা বেড়েই চলেছে। কয়েল দিয়েও মশার অত্যাচার থামানো যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিৎ ছিল এ বিষয়ে সঠিক তদারকি করা। 

৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম পিন্টু বলেন, মশার উপদ্রবের ফলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হোক আমরা চাই না। সেই কারণেই অভিযান চালানো হয়। কাজে গাফিলতির অভিযোগ আসায় কর্মরত লোকদের ওপর নজর রাখতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে আমাদের এসব অভিযান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ড. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, ক্যাম্পাসে মশা নিধনের অভিযান চলেছে। কর্মরত ব্যক্তিরা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা খোঁজ রাখা উচিত ছিল। আমি এ ব্যাপারে খোঁজ নিব।

বাংলা/এসআই

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0177 seconds.