• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:১৩:১০
  • ০৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:১৩:১০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অডিও ভাইরাল, উত্তাল ববিপ্রবি

ছবি: সংগৃহীত

দু’জন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’র (ববিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধান ইঞ্জি. মো. আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এমন একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

এ ঘটনায় ক্যাম্পাসটিতে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী শিক্ষকের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে এবং সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা। একই সাথে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি না দেয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্যাতনের শিকার হওয়া ওই দুই ছাত্রীও অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছেন।

ববিপ্রবি’র এক শিক্ষার্থী নাম না প্রকাশ করার শর্তে বাংলা’কে বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি ও পসারণের দাবিতে ক্যাম্পাসে এখনো আন্দোলন চলছে। স্যার-ম্যাডামরা এখনো কিছু বলেনি। এজন্য আজ আমাদের কোন ক্লাস হয়নি। আর আমি যতটুকু জানি, ওই দুই ছাত্রী তাদের সার্টিফিকেট পাওয়ার পর শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ করেন।’  

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আক্কাস আলী জানান, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজনীতির শিকার হয়েছেন। একই বিভাগের অন্য শিক্ষকের সাথে বিভাগীয় প্রধান হওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলছে। তারই অংশ হিসাবে তাকে শিক্ষার্থী দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি রবীন্দ্রনাথ অধিকারী গণমাধ্যমকে বলেন, ’শিক্ষক আক্কাস আলী ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করে যে অপরাধ করেছেন তার জন্য অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’

এ নিয়ে ববিপ্রবি’র আইন অনুষদের ডীন আব্দুল কুদ্দুছ মিয়া জানান, ইতোমধ্যে প্রফেসর ড. আব্দুর রহিমকে প্রধান করে এ বিষয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে অভিযুক্ত শিক্ষক আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রী যৌন হয়রানি অভিযোগ তোলা হয়। নির্যাতনের শিকার ওই দু’ছাত্রী এ নিয়ে  কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। তবে, তদন্তের নাম করে শুধু কালক্ষেপণ করা হয় বলে সেই দুই ছাত্রী অভিযোগ করেন। এরপর সম্প্রতি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে তারা আন্দোলন শুরু করে।

বাংলা/এনএস

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0196 seconds.