• ০৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৮:১৯:০৪
  • ০৩ এপ্রিল ২০১৯ ১৮:১৯:০৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রক্তের বিনিময়ে ভিসি’র পদত্যাগ চায় ববি’র শিক্ষার্থীরা

ছবি : বাংলা


জহির রায়হান, বরিশাল প্রতিনিধি: 


প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুঁলিয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন, মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান কর্মসূচী, প্রতিবাদী সঙ্গীত, ভিসি'র কুশপুত্তলিকা দাহ, আলপনা আকাঁ এবং অবশেষে নিজেদের  রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ালে লিখুনির মাধ্যমে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে এখনো অনড় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দেয়া টানা ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম অতিবাহিত হলেও পদত্যাগ করেননি ববি'র উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক। পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্তে উপাচার্যও অনড় থেকে মুঠোফোনে বাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের হাতে নেই। একটি মহল আন্দোলনের পিছনে  থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলেও  জানান এই ভিসি। তবে আন্দোলনে জড়িত থাকা  ওই মহলটির কথা স্পস্ট করে কিছুই বলেননি তিনি।

উপাচার্য  আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র নির্দেশ  ছাড়া কোন আন্দোলনের মুখে ববি'র উপাচার্যের পদ থেকে কোন ভাবেই পদত্যাগ করবেন না। 

এদিকে, টানা ৯ ম দিনেও লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থীরা "বাংলা" কে জানিয়েছেন,উপাচার্যের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত টানা  আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এর পূর্বের আন্দোলনের  তৃতীয় দিনের মাথায় উপাচার্য তার কটূক্তিমূলক বক্তব্যের জন্য প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করলেও তাতে সন্তুষ্ট নন আন্দোলনরত  শিক্ষার্থীরা। এরপরে আন্দোলনের ৫ ম দিনের মাথায় আবাসিক হলের ডাইনিং বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হাসিনুর রহমান স্বাক্ষরিত  নোটিশে বলা হয়, ২৬ মার্চ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৯’ উদযাপন উপলক্ষে উদ্ভুত ঘটনার প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের নিরাপত্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার স্বার্থে উপাচার্যের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২৮ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় ক্লাস, পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ এবং ঐদিন বিকেল ৫টার মধ্যে হল ছাড়ার  ঘোষণা করা হয়। 

তবে শিক্ষার্থী ভিন্ন অভিযোগ করে জানিয়েছে, সদ্য শেষ হওয়া ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ না জানালে এর প্রতিবাদ করায় উপাচার্য নিজেই শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে অভিহিত করে। এই থেকেই শুরু হয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সূত্রপাত।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0175 seconds.