• বিদেশ ডেস্ক
  • ০২ এপ্রিল ২০১৯ ২০:২৩:১০
  • ০২ এপ্রিল ২০১৯ ২০:২৬:১৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

খাশোগির সন্তানদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে অর্থ-বাড়ি দিয়েছে সৌদি সরকার

ছবি : সংগৃহীত

নিহত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির সন্তানদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে লাখ লাখ ডলারের বাড়ি দিয়েছে সৌদি সরকার।  এছাড়া প্রতিমাসে তাদের অর্থ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।  সৌদি আরবের বর্তমান,সাবেক কর্মকর্তা এবং খাশোগির পরিবারের ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

গত বছর সৌদি বাদশা সালমান খাশোগির সন্তানদের প্রত্যেককে সৌদি আরবের জেদ্দায় বিলাসবহুল বাড়ি দেয়ার এবং প্রতিমাসে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার মার্কিন ডলার বা তারচেয়ে বেশি অর্থ দেয়ার অনুমোদন দেন।  প্রতিটি বাড়ির মূল্য ৪০ লাখ মার্কিন ডলার বলে জানা গেছে। সৌদি কর্মকর্তা জানান, খাশোগির সঙ্গে যে অবিচার করা হয়েছে তা খানিকটা লাঘব করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।   

জামাল খাশোগির বড় সন্তান সালাহ সৌদি আরব থাকেন। তিনি একজন ব্যাংকার। তিনি ছাড়া অন্য ভাইবোনেরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তারা তাদের প্রাপ্য বাড়ি বিক্রি করে দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।   

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানান, খাশোগি হত্যার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিচার সমাপ্ত হলে তাকে হত্যার জন্য রক্তের বদলা হিসেবে তার সন্তানরা লাখ লাখ ডলার পেতে পারেন। প্রসঙ্গত, জামাল খাশোগি দুই পুত্র এবং দুই কন্যার পিতা।ছিলেন।  

ওই কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, সৌদি সরকার খাশোগির সন্তানদের প্রতি মাসে যে ক্ষতিপূরণ দেবে তা দীর্ঘমেয়াদী একটি চুক্তির বিনিময়ে দেয়া হবে। এই চুক্তি অনুযায়ী, তাদের পিতার হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে প্রকাশ্যে সৌদি সরকারকে অভিযুক্ত করে কোন বিবৃতি দেয়া যাবে না।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ভিন্ন মতাবলম্বী সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করে সৌদি আরবের কয়েকজন কর্মকর্তা।  ধারণা করা হয়, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের(এমবিএস) আদেশে তার অনুগত কর্মকর্তারা এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল। বর্বর ওই ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সৌদি সরকার। প্রথম দিকে খাশোগিকে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে কিছু বিপথগামী কর্মকর্তা তাকে ইস্তাম্বুলের কনস্যুলেটে হত্যা করেছিল।  তবে এই ঘটনায় এমবিএসের জড়িত থাকার খবর তারা অস্বীকার করে।   

এদিকে খাশোগি হত্যায় এমবিএসের জড়িত থাকার খবর সৌদি সরকার যতই অস্বীকার করুক না কেন। এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে এ পর্যন্ত যত তথ্য পাওয়া গেছে সবগুলোই ইঙ্গিত দেয় যুবরাজের আদেশেই এটি ঘটেছে।  তবে তুর্কি সরকার, মার্কিন  প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট এবং মার্কিন সিনেটররা এমবিএসকে যতই দোষী সাব্যস্ত করুক না কেন খাশোগির সন্তানরা কিন্তু এই ব্যাপারে একদম নীরব ভূমিকা পালন করছেন। তাদের পিতার মৃত্যুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তার হত্যার ব্যাপারে সৌদি রাজতন্ত্রকে অভিযুক্ত করে কোন বক্তব্য দেননি তারা।      

বাংলা/এফকে

 

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0189 seconds.