• বিনোদন প্রতিবেদক
  • ১৮ মার্চ ২০১৯ ২২:০৯:২৮
  • ১৮ মার্চ ২০১৯ ২২:০৯:২৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

‘অনেক নাটকে জোর করে দর্শকদের হাসানো হয়’

অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। ছবি : সংগৃহীত

তরুণ প্রজন্মের অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। টিভি নাটকের প্রিয় মুখ এখন তিনি। নিয়মিত নাটকে অভিনয় করছেন। সাবলীল অভিনয় দিয়ে হচ্ছেন প্রশংসিতও। সম্প্রতি 'লেদারের জ্যাকেট' নাটকে অভিনয় করেন এ অভিনেতা। এটি নির্মাণ করেছেন ফজলুর সেলিম। এ নাটকের সেটেই কথা হয় জোভানের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিঠুন আল মামুন

‘লেদারের জ্যাকেট’ নামের যে নাটকটিতে শুটিং করছেন। নাটকটি সম্পর্কে বলুন।

জোভান: খুব পরিচিত একটি গল্পের নাটক। আমাদের আশেপাশেরই গল্প। গ্রামের সহজ-সরল একটা ছেলে ঢাকা শহরের পড়াশোনা করতে এসে কিভাবে সংগ্রাম করে করে তার গল্প ফুটে উঠবে 'লেদারের জ্যাকেট' নাটকটির গল্পে। ছেলেটা মাসে তিনটা টিউশনি ১৫ হাজার টাকা পায়। সে টাকা দিয়ে নিজে চলে ও পড়াশোনার খরচ চালান। প্রতি মাসে গ্রামের বাড়িতে মাকেও টাকা পাঠায়। একটা সময় ছেলেটা একটা মেয়ে প্রেমে পড়ে। নাটকটির মধ্যে একটা মেসেজ দেওয়া চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। বাকিটা দর্শক টিভি পর্দাতে দেখবেন। আশা করি দর্শক নাটকটি দেখে হতাশ হবেন না। এতে আমার সহশিল্পী হিসেবে আছেন সাফা কবির।

সহশিল্পী সাফা কবিরের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

জোভান: সহশিল্পীর সাথে কাজের বোঝাপড়াটা আসলে বলে কয়ে হয় না। আমি মনে করি অনস্ক্রিনের পাশাপাশি অফস্ক্রিনেও ভালো সম্পর্ক থাকা জরুরি। যেমন- মেকআপ রুমে বসে কাজটি নিয়ে একটু গল্প করা, কিংবা নিজেদের মধ্যে আড্ডার ছলে একটু আয়েশি ঢংয়ে কাজের বিষয়টি নিয়ে আসা। সাফা কবির আমার ভালো বন্ধু। আর বন্ধুর সঙ্গে কাজের আনন্দ অন্য রকম। আমরা একে অপরের সাথে কাজের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি।

আপনি যে নাটকগুলোতে কাজ করেন সেগুলো বলা যায় প্রায় সবই শহুরে চরিত্রের আদলে। কেন বলুন তো?

জোভান: আসলে এটা নির্মাতারাই ভালো বলতে পারবেন। তারা পাবলিক রেসপন্স ভালো দেখে আমাকে কাজে নেন। এই ব্যাপারটা আমিও অনুধাবন করেছি। তবে আমি চাই সব ধরণের গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে।

মনে হয় না নিজেকে অভিনয়ের নির্দিষ্ট ছকে বেঁধে ফেলেছেন?

জোভান: না। কারণ আমি একই ধরনের চরিত্রে কখনও অভিনয় করি না। যার কারণে আমি মনে করি না আমার ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন ঘটবে। আর আমি খুব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করি। এটাও বড় একটা কারণ। আর আমি জানি যে কোন চরিত্রগুলোতে ভালো অভিনয় করতে পারব।

ইউটিউব তো এখন নাটক প্রচারের বড় একটি মাধ্যম। চ্যানেলের বাইরে শুধু অনলাইনে প্রচারের জন্য এখন নাটক নির্মাণ হচ্ছে। এটাকে কীভাবে দেখছেন আপনি?

জোভান: অনলাইনে নাটক প্রচার এটা তো খারাপ দিক না। ভালো দিক। এতে অভিনয় করে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর যে স্বল্পদৈর্ঘ্য হচ্ছে সেগুলোতে হলে চালানো সম্ভব নয় এগুলো ইউটিউবে দেখেই দর্শকরা উপভোগ করেন। মূল কথা হচ্ছে কাজের মান। মান ভালো হলে সেটা যেখানেই প্রচার হোক আপত্তি নেই।

এখন যে ধরনের নাটক-টেলিছবিগুলো নির্মাণ হচ্ছে দর্শক হিসেবে কীভাবে মূল্যায়ণ করবেন আপনি?

জোভান: প্রথমেই বলবো খুব ভালো। নাটকে গল্পের মানে হয়তো কিছু আক্ষেপ আছে দর্শকের। তবে সেগুলোকে নির্মাণের মুন্সিয়ানায় যে রুপটা দেয়া হচ্ছে তার প্রশংসা করতেই হবে। সময়ের সাথে সাথে মানুষের চিন্তা এবং রুচিরও পরিবর্তন হচ্ছে। তার সাথে তাল মিলিয়ে বদলেছে নাটক-টেলিছবির গল্প, নির্মাণ ও সংলাপ। এমন কী অভিনয়ের ধরণেও এসেছে পরিবর্তন। আজকাল তরুণ জেনারেশনদের নিয়ে যেসব নাটক নির্মিত হচ্ছে সেগুলো মানুষ গ্রহণ করছেন। আবার সব নাটক যে ভালো হচ্ছে তাও কিন্তু ঠিক না। অনেক নাটক আছে যেগুলোতে জোর করে মানুষ হাসানো হচ্ছে। ভালো কাজের ভিতর খারাপ কাজও হচ্ছে। সেগুলো সম্পর্কে গণমাধ্যম, শোবিজ- সবাই অবগত। তাই আমার কিছু বলার নেই। আমি শুধু বলবো, যেটা ভালো সেটাই টিকে থাকবে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0087 seconds.