• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৬ মার্চ ২০১৯ ১৩:১৬:৫৬
  • ১৬ মার্চ ২০১৯ ১৩:১৯:১৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আদালতে কড়া বাঁধা হাতেও বর্ণবাদী প্রতীক দেখালেন খুনি

ছবি : সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে হামলা চালিয়ে ৩ বাংলাদেশিসহ অন্তত ৪৯ জনকে খুন করেছেন ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। হত্যার অভিযোগ এনে শুক্রবার ব্রেন্টনকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাকে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আটক রাখতে বলেছেন।

এদিকে ব্রেন্টনকে যখন আদালতে তোলা হয়, তখন কড়া বাঁধা হাতেও বর্ণবাদের প্রতীক দেখিয়েছেন তিনি।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট দেখিয়েছে, হাতকড়ার মধ্যে আঙুল দিয়ে ‘শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের’ বর্ণবাদী প্রতীক দেখাচ্ছিলেন ট্যারেন্ট।

মানুষের মধ্যে শেতাঙ্গরা শ্রেষ্ঠ- এটা যারা মনে করেন, তারা আঙুলের মাধ্যমে বিশেষ চিহ্ন তৈরি করে প্রতীক হিসেবে তার প্রকাশ ঘটিয়ে থাকেন।

এক্ষেত্রে বৃদ্ধা ও তর্জনি আঙুল বৃত্তাকারে একসঙ্গে যুক্ত করলে তা ‘P’ এর আকৃতি নেয়, যা দিয়ে Power বা শক্তি বোঝানো হয়। আর বাকি তিনটি আঙুল তখন ‘W’ এর রূপ নেয়, যা দিয়ে বোঝানো হয় White বা সাদা।

২৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় ট্যারেন্টও বন্দি হওয়ার পরও তার বর্ণবাদী মনোভাব এভাবে তুলে ধরেন।

হত্যাযজ্ঞের পুরো ঘটনা ফেইসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেছিলেন ট্যারেন্টন, ইন্টারনেটে ছড়িয়েছেন বর্ণবাদী, অভিবাসী বিদ্বেষী, উগ্র ডানপন্থি বার্তা।    

গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলা চালানোর আগে ট্যারেন্ট তার টুইটার অ্যাকাউন্টে ৭৩ পৃষ্ঠার একটি কথিত ‘ম্যানিফেস্টো’ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি নিজেকে বর্ণনা করেছেন ভাষায়, সংস্কৃতিতে, রাজনৈতিক বিশ্বাস আর দর্শনে, আত্মপরিচয়ে এবং বংশপরিচয়ে একজন ইউরোপীয় হিসেবে।

ট্যারেন্ট তার তথাকথিত ‘ম্যানিফেস্টোতে’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

হামলার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে নিজের অভিবাসনবিরোধী ও মুসলিমবিরোধী অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন ট্যারেন্ট। এক জায়গায় তিনি নিজেকে ‘এথনোন্যাশনালিস্ট এবং ফ্যাসিস্ট’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0200 seconds.