• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ১৩ মার্চ ২০১৯ ০৯:১৭:৫৪
  • ১৩ মার্চ ২০১৯ ০৯:১৭:৫৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রোনালদো জাদুতে কোয়ার্টার ফাইনালে জুভেন্টাস

এই রকমের জাদুকরী মুহূর্তগুলোর জন্যই ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে দলে ভিড়িয়েছিল জুভেন্টাস। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে দলকে প্রায় একাই জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন পর্তুগিজ এই তারকা।

প্রথম লেগের ম্যাচে জুভেন্টাসকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল স্পেনের ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদ। কিন্তু ফিরতি লেগের ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে আতলেতিকোর পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ালেন রোনালদো। একাই করলেন তিনটি গোল। জুভেন্টাসও জিতল এই ৩ গোলের ব্যবধানেই। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলের জয় দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালেরও টিকিট পেয়ে গেল ইতালির শীর্ষ এই ক্লাবটি।

নিজেদের মাঠে জুভেন্টাস এগিয়ে গিয়েছিল ২৭ মিনিটের মাথায়। ফ্রেডরিকো বার্নাডেচির ক্রস থেকে দারুণ এক হেড করে আতলেতিকোর জালে বল জড়িয়ে দেন রোনালদো। ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে জুভেন্টাস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দেন রোনালদো। ৪৮ মিনিটের মাথায় করেন ম্যাচের দ্বিতীয় গোল। দুই লেগ মিলিয়ে তখন ২-২ গোলের সমতা। ম্যাচের একেবারে শেষপর্যায়ে, ৮৬ মিনিটের মাথায় রোনালদো পেয়ে যান পেনাল্টি। হ্যাটট্রিক করে দলকে জেতানোর এই সুবর্ণ সুযোগটি হেলায় হারাননি এসময়ের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। তৃতীয়বারের মতো আতলেতিকোর জালে বল জড়িয়ে জুভেন্টাস সমর্থকদের মাতিয়ে তোলেন উল্লাসে।

ইউরোপিয়ান ফুটবলের গত মৌসুমে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল আতলেতিকো মাদ্রিদকে। এবার গ্রুপ পর্বের বাধাটা পেরোতে পারলেও রোনালদোর জাদুকরী পারফরম্যান্সের সামনে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো আতলেতিকোকে। অন্যদিকে রোনালদো ক্রমেই আরও পাকাপোক্ত করছেন জুভেন্টাস সমর্থকদের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বশেষ শিরোপা জুভেন্টাস জিতেছিল ১৯৯৬ সালে।

আজ দুইটি ম্যাচের মধ্য শেষ হবে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর লড়াই। একটিতে মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা ও লিঁও। আর অপরটিতে লিভারপুল ও বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথম লেগের ম্যাচে দুইটি খেলাই হয়েছিল গোলশূণ্য ড্র। তবে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি নিজেদের মাঠে হওয়ায় মানসিকভাবে নিশ্চয়ই খানিকটা এগিয়ে থাকবে বার্সেলোনা। একই ব্যাপার ঘটতে পারে জার্মানির শীর্ষ ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের জন্যও।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0191 seconds.