• ফিচার ডেস্ক
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৪:১১:১৯
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৪:১৯:১৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করা কেন জরুরি?

ছবি: সংগৃহীত

বিয়ে মানবসমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়। দুজনার হাতে হাত রেখে কাটে জীবনের একটি বড় অংশ।কাজেই এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভেবে চিন্তে নেওয়াই শ্রেয়, বিশেষ করে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে। 

তাই বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা স্বামী-স্ত্রীর জন্য জরুরি। অনেক অসুখের কারণ হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর বহন করা কিছু জিন। যেমন—থ্যালাসেমিয়া। মা-বাবা এ রোগের বাহক হলে সন্তানেরও হতে পারে। আবার হেপাটাইটিস-বি এমন অসুখ, যা শুধু সন্তান নয়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন আক্রান্ত হলে অন্যজনও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

আসুন জেনে নিন বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা কেনে করবেন....

দু'জনের ব্লাড গ্রুপ এ, বি, ও পজিটিভ এবং ও নেগেটিভ না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। তাই আগে থেকেই রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখা উচিত কার রক্তের গ্রুপ কী।

* এ ছাড়া ভবিষ্যতে যদি কোনো অসুখে বা দুর্ঘটনায় হঠাৎ রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে ব্লাড গ্রুপ জানা থাকলে বাড়ির লোকজনকে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না।

 * এ ছাড়াও থাইরয়েড, সুগার, থ্যালাসেমিয়া, হেপাটাইটিস বা টিউবারকিউলোসিসের মতো সমস্যা রয়েছে কি-না তা জানার জন্য বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা আবশ্যক। যদি কেউ থ্যালাসেমিয়ার ক্যারিয়ার বা মেজর হন, তাহলে সে কীরকম জীবনসঙ্গী খুঁজবে এবং ভবিষ্যতে সন্তান পরিকল্পনা করতে পারবে কি-না বা সন্তান জন্মালেও সে কতটা সুস্থ হবে, সে সম্পর্কে আগে থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের গাইডলাইন থাকলে ভালো হয়।

* সর্বোপরি অনেকেই হয়তো বংশানুক্রমিক (হেমোফিলিয়া, থেলাসেমিয়া, জেনেটিক ব্যাধি) কোনো রোগে আক্রান্ত। কিন্তু কোনো লক্ষণ না থাকায়, তা জানতে পারেননি। বিয়ের আগে এসব কিছুই জেনে নেওয়া প্রয়োজন। উভয়ের রোগ থাকলে এ ক্ষেত্রে অনাগত সন্তানের বিপদ আরও বেড়ে যায়।

* যদি মেয়েদের তলপেটের রোগ ব্যাধির (পিআইডি) মতো কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে কিন্তু সন্তান পরিকল্পনার সময় তা টের না পাওয়া গেলে পরে মারাত্মক জটিলতা হতে পারে। তাই কোনোরকম ইগো বা ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ না রেখে, বিয়ের আগেই করিয়ে নিন প্রয়োজনীয় চেকআপ।

* ডায়াবেটিস বংশগত কারণে অনেক কম বয়সে দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে কম বয়সে যে কেউ হার্ট বা কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। বিয়ের আগে সামান্য ব্লাড সুগার টেস্টে রোগটি ধরা পড়তে পারে।

* টিসি. ডিসি, ইএসআর, কোলেস্টেরল, আরএইচ ফ্যাক্টর, এইচআইভি, আয়রন লেভেল ইত্যাদি কিছু রুটিন পরীক্ষা ছেলে এবং মেয়ে উভয়েরই করানো উচিত। তাহলে প্রথম থেকেই একটা মেডিকেল হিস্ট্রি থাকবে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিয়ে রক্ত স্বামী-স্ত্রী

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0201 seconds.