• ফিচার ডেস্ক
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৪:১৭:৫৫
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৪:১৭:৫৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ঈশারায় বিয়ে!

ছবি : সংগৃহীত

বিয়েতে কবুল বিভিন্নভাবে পড়ানো হয়। কেউ শুনিয়ে কেউ আবার মোবাইলে কেউ আবার গলা নেড়ে কবুল পড়ে থাকেন। বিভিন্নভাবে সে কবুল পড়া হয়। যে যেভাবে পড়ুক ধর্ম অনুসারে সকলে নিজেদের মত বিয়ে সম্পন্ন করে। তবে এমন যদি হয় বিয়েতে কবুল বলার ক্ষমতা নেই বরের আর কনে যদি হয় কানে শুনে না? তাহলে কীভাবে হবে সে বিয়ে?

হুম! এমনই বিপদে পড়তে হয়েছে এক বর-কনেকে। কলকাতার রাজারহাটে ঘটেছে এই কাহিনী। মূল ঘটনা হলো, ওই বর ছিলেন বোবা আর কনে ছিলেন বধির (কানে শুনেন না)। প্রশ্ন হলো কীভাবে হলো সেই বিয়ে? 

ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারের সুত্রে জানা গেছে, পরে ইশারার মাধ্যমে সম্পন্ন হলো সেই বিয়ে। কাজি এসে যখনই বুঝতে পারলেন তাদের সমস্যা, তখনই তিনি ঈশারা করে কবুল পড়ালেন। শনিবার সন্ধ্যায় এভাবেই সম্পন্ন হয় ইতিকা বিশ্বাস (তিন্নি) ও অরিত্র ঘোষের (রাজা) বিবাহ।

তবে বর-কনের এ অবস্থা হলেও কমতি ছিল না বিয়ের কোনো আয়োজনের। বর আসতেই তার দিকে তাকিয়ে বুকের কাছে হাত জোড় করে আনন্দ প্রকাশ করেন তার হবু স্ত্রী।

তিন্নির বোন অঙ্কিতা বিশ্বাস জানান, বরকে দেখে তার বোনের চেহারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠে। এমনকি সে বরকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে। এছাড়াও বোন কানে না শুনলেও তার বিয়ের শাড়ি, গহনা সব কিছুই হয়েছে কনের নিজের পছন্দে।

এদিকে, রাজার মা শ্যামলী ঘোষ জানান, রাজাও নিজেই বিয়ের কার্ড, মেনু সব কিছু পছন্দ করে মতামত দিয়েছে। এছাড়া ছেলের পছন্দেই হবু স্ত্রীর সঙ্গে তার বিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিয়ের অনেকদিন আগে থেকে সে তার নিজের জন্য ও তার হবু স্ত্রীর জন্য শখ করে পছন্দের সব জিনিসও কিনেছে।

আসলে, অন্ধ হউক বধির হউক, প্রকৃত ভালোবাসা থাকলে সেখানে কোন বাঁধা তাদের আটকে রাখতে পারবে না। হয়ত রাজা ও তিন্নি তারা একে অপরকে দেখে পছন্দ করেছিলেন। এরপর হয়ত নিজেরা পরস্পরকে জানিয়েছিলেন তাদের অক্ষমতার কথা। তাদের মধ্যে একজন কথা বলতে পারতেন না অন্যজন কথাই শুনতেন না। কিন্তু ভালোবাসার কাছে এসব কোন ব্যাপারই ছিল না তাই তারা এসব মেনে নিয়ে ঈশারায় বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। আর সে বিয়েতে পাড়া পড়শি অনেক আনন্দও করেছিলেন। 

বাংলা/এসি

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ঈশারায় বিয়ে

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0700 seconds.