• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৫:৫৪:৩৬
  • ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৫:৫৬:৩৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

দুই রাত আটকে রেখে তরুণীকে ২ পুলিশের ধর্ষণ!

ফাইল ছবি

ডাকবাংলোতে এক তরুণীকে দুই রাত আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও মাজহারুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার ওই তরুণী মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম। পুলিশের এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই নৈতিক স্খলনজনিত নানা অভিযোগ রয়েছে।

তরুণীর অভিযোগে জানা যায়, সম্পর্কে ওই তরুণীর এক খালা সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেনের কাছে জমি বিক্রির তিন লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। পাওনা টাকা নিতে সাভারের নবীনগর থেকে গত বুধবার বিকেল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে ওই তরুণী সাটুরিয়া থানায় যায়। সেখানে এসআই সেকেন্দারের সঙ্গে তাদের দেখা হয়। পরে সেকেন্দার তাদের দুজনকে সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হন সাটুরিয়া থানার এসআই মাজহারুল ইসলাম। পরে দুজন মিলে অভিযুক্ত তরুণী ও তার খালাকে আলাদা কক্ষে আটকে রাখে। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে দুই রাত আটকে রেখে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুই এসআই। দুই দিন পর গত শুক্রবার সকালে খালাসহ ওই তরুণীকে ডাকবাংলো থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

গতকাল রবিবার ওই তরুণী মর্মস্পর্শী এ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার খোঁজখবর নিয়ে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন এসআই সেকেন্দার হোসেন।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

মানিকগঞ্জ পুলিশ ধর্ষণ

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0177 seconds.