• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২০:৫৪:৪১
  • ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ২১:২৭:২৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

দেশের দুধ-দইয়ে কীটনাশক-সীসা, গবেষণায় মিলেছে প্রমাণ

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে গরুর খোলা দুধ, প্যাকেটজাত দুধ, দই এবং গরুর খাবারের মধ্যে সহনীয় মাত্রার অনকে বেশী কীটনাশকসহ নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদান ও বিভিন্ন অণুজীব পাওয়া গেছে। রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমন তথ্য জানিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি (এনএফএসএল)।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আর্থিক সহযোগিতায় গরুর সকল প্রকার দুধ, দই এবং গরুর খাবার নিয়ে এনএফএসএল এর একটি গবেষণায় এসব চিত্র উঠে আসে।

সংস্থাটি বলছে, ঢাকাসহ দেশের ৪টি জেলার ২৭টি উপজেলা ও থানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গরুর দুধ সরাসরি খামার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। একই সাথে উক্ত খামার থেকেই খাবার সংগ্রহ করা হয়েছে। দই ঢাকা শহরের বিভিন্ন নামিদাম দোকান ও আশেপাশের উপজেলার দোকান গুলো থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে । বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত তরল দুধ এবং আমদানি করা প্যাকেটজাত দুধ বিভিন্ন সুপার শপ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে ল্যাবরেটরীতে নিয়ে তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে ।

গবেষণা থেকে পাওয়া ফলাফলে দেখা যায়, ৬৯-১০০ শতাংশ গরুর খাবারে বিভিন্ন রকমের রাসায়নিক ও কীটনাশক পাওয়া যায় ৯টি নমুনায়, সীসা পাওয়া যায় ২২টি নমুনায়, ক্রোমিয়াম পাওয়া যায় ১৬টি নমুনায়, টেট্রাসাইক্লিন পাওয়া যায় ২২টি নমুনায়, এনরোফ্লোক্সাসিন পাওয়া যায় ২৬টি নমুনায়, সিপ্রোসিন পাওয়া যায় ৩০টি নমুনায় এবং আফলাটক্সিন পাওয়া যায় ১৯টি নমুনায়। যা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রা পাওয়া গেছে।

এদিকে গরুর দুধের ৯৬টি নমুনার মধ্যে ৯ ভাগ দুধে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কীটনাশক, টেট্রাসাইক্লিন ১৩ ভাগ, সীসা ১৫ ভাগ এবং ৯৬ ভাগ দুধে মেলে বিভিন্ন অণুজীব। যা সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।

আর মোড়কজাত দুধের ৩১টি নমুনার মধ্যে ৩০ ভাগে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি টেট্রাসাইক্লিন ও সীসা পাওয়া গেছে। এছাড়াও ৬৬ থেকে ৮০ ভাগ মোড়কজাত দুধের নমুনায় বিভিন্ন অণুজীব পাওয়া গেছে।

একইভাবে দইয়ের ৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে একটিতে। এর বাহিরে ৫১ ভাগ দইয়ের নমুনায় বিভিন্ন প্রকার অণুজীবের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যানমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন। গবেষণা প্রতিবেদনটি সবার সামনে উপস্থাপন করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিভাগীয় এবং এএফএসএ এর প্রধান অধ্যাপক ড. শাহনীলা ফেরদৌসী।  

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0839 seconds.