• ফিচার ডেস্ক
  • ১৪ জানুয়ারি ২০১৯ ১৪:৫৮:২৩
  • ১৪ জানুয়ারি ২০১৯ ১৪:৫৮:২৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কফ-সিরাপ নয়, সর্দি-কাশি সারাবে চকলেট!

ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়ার পরিবর্তনে অনেকেরই কাশি, নাক বন্ধ এবং জ্বর যেন ছাড়ছেই না। সাধারণত কাশি হলে তা নিরাময়ের জন্য আমরা কাশির সিরাপ সেবন করেন।

তবে এবার কাশির জন্য সিরাপ না গিলে চকলেট খান। কারণ চিকিৎসকদের দাবি, কাশি সারাতে সিরাপের চেয়েও বেশি কার্যকরী চকলেট।গবেষকরা কাশি হলে সিরাপ গ্রহণের চেয়ে এক টুকরা ডেইরি মিল্ক চকলেট বা ডার্ক চকলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব হালের হৃদরোগ ও শ্বাসযন্ত্র বিভাগের প্রধান অ্যালিন মরিস জানান, সর্দি-কাশির যেসব ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়, তার মধ্যে কিছু ওষুধের অন্যতম বিশেষ উপাদান হল কোকোয়া।যে ওষুধে কোকোয়া রয়েছে, সেগুলি খেলে ঠাণ্ডা কাশি থেকে তাড়াতাড়ি রেহাই পাওয়া যায়।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের বিজ্ঞানীরাও বলেন, ‘সর্দি-কাশির ওষুধে কোডিনও ব্যবহার করা হয়। যাতে মাথা ধরা, কাশি এবং কফের সমস্যা দূর হয়। কিন্তু তার চেয়ে দ্রুত গতিতে কাজ দেয় কোকোয়া’।গবেষণার জন্য গবেষকদল ১৬৩ জন অংশগ্রহণকারীর উপর পরীক্ষা চালান। এতে দেখা যায়, যেসব কাশির রোগী চকলেটমিশ্রিত ওষুধ খেয়েছেন, কাশির সিরাপ সেবন করা রোগীদের চেয়ে তাদের অবস্থা দুইদিনে বেশ উন্নত হয়েছে।

অবশ্য এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও গবেষকরা চকলেট খেলে কাশি কমতে পারে এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

অধ্যাপক আলিয়ান মরিস বলছেন, চকলেটে থাকা আঠালো উপাদান গলার স্নায়ুতন্ত্রের উপর একটি আবরণ তৈরি করে , ফলে কাশি কম অনুভূত হয়। মধু এবং লেবু যেভাবে কাশি উপশমে কাজ করে, চকলেটও একইভাবে কাজ করে বলে জানান তিনি।

গবেষকরা বলছেন, কোকোয়ার মধ্যে থিওব্রমিন নামের বিশেষ ধরনের অ্যালকালয়েড থাকে, যা কাশির মাধ্যমে বারবার কফ ফেলার শারীরিক প্রয়োজন কমিয়ে দেয়। 

সাধারণ ওষুর চেয়ে কোকোয়া বেশি আঠালো হয়। তাই গলার মধ্য তুলনামূলক মোটা আস্তরণ তৈরি করতে সক্ষম হয়। তাতেও কমে যায় কাশি। তাই চকোলেট বা ডার্ক চকোলেটের উপর আস্থা রাখা যায় নিশ্চিন্তে।

বাংলা/এবি

 

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

কাশি সিরাপ চকোলেট

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0190 seconds.