• বাংলা ডেস্ক
  • ১১ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:৫৬:৩০
  • ১১ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:৫৬:৩০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গাদের জাল ভিসা দিচ্ছে বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা!

ছবি : সংগৃহীত

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জাল ভিসা সরবরাহে জড়িত থাকার দায়ে ক্যানবেরাভিত্তিক বাংলাদেশের হাইকমিশনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অন্তত ছয়টি অভিযোগ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ।

বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম এসবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাল ভিসাসহ অন্তত ২০ রোহিঙ্গাকে আটক করার পর অস্ট্রেলিয়ায় রোহিঙ্গা সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানা গেছে।

গণমাধ্যমটি জানায়, অস্ট্রেলিয়ায় গত ছয় বছর ধরে অবস্থান করা রোহিঙ্গা শরণার্থী ফারুক কক্সবাজারে আশ্রয়শিবিরে বসবাস করা তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চান। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ মিশন থেকে পর্যটন ভিসা নিয়ে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় আসেন। কিন্তু জাল ভিসার অভিযোগে আরও কয়েক যাত্রীসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিনই বিমানবন্দর থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।

এসবিএসের খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের অভিবাসন পুলিশ ফারুকসহ অন্যান্য যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গত ২০ ডিসেম্বর তাদের অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত পাঠায়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কর্তৃপক্ষকে তারা বলেছেন, ক্যানবেরায় বাংলাদেশের হাইকমিশনের এক কর্মকর্তার কাছ থেকে তাদের ভিসা সংগ্রহ করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার আরেক রোহিঙ্গা শরণার্থী আমান উল্লাহ বলেন, তিনি একটি ভিসার জন্য সাড়ে তিনশ ডলার দিয়েছেন। কিন্তু তাকে জাল ভিসা দেয়া হয়েছে।

আমান বলেন, জলা ভিসার খবর শুনে ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়েছিলাম। সেখানে হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি শামিমা পারভিন আমাকে বলেন, আমারটিও জাল ছিল। নতুন একটি ভিসা পেতে এ বিষয়ে পুলিশকে রিপোর্ট করতে হবে বলে তিনি আমাকে জানান।

এ বিষয়ে ঢাকায় এক অভিবাসন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, তারা জাল ভিসাসহ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করেছেন। তবে সঠিক সংখ্যাটি বলতে পারছেন না।

গত বছরের ডিসেম্বরে ক্যানবেরার উডেন পুলিশ স্টেশনে ছয়টি অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের পর এক লিখিত বিবৃতিতে ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুফিউর রহমান বলেন, অভিযোগ এলেই আমাদের কোনো কর্মকর্তা এতে জড়িত বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। যদিও সিডনি ও মেলবোর্ন থেকে আমরা কিছু এজেন্টের নাম পেয়েছি। এ সংক্রান্ত নথিধারীদের ওপর বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত কোনো প্রতিবেদন পাইনি। আমাদের কর্তৃপক্ষের তথ্যউপাত্তের ওপর ভিত্তি করে বেশ কয়েক রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0675 seconds.