• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৬:০৯:১৫
  • ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৯:৩১:১৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আজও শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৩০, বন্ধ ২৫ কারখানা

ছবি : সংগৃহীত

সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি, বাস্তবায়নের দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা আজ বৃহস্পতিবারও বিক্ষোভ করেছেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এই বিক্ষোভ চলছে। সকালে আশুলিয়ার কাঠগড়া, কুটুরিয়া, জামগড়া, মিরপুরসহ কয়েকটি এলাকায় রাস্তায় নামেন পোশাক শ্রমিকেরা।

এসময় কয়েকটি জায়গায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয় শ্রমিকদের। এরমধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় অন্তত ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। এছাড়া ওই এলাকার ১০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকরা।

অন্যদিকে গাজিপুরেও সকাল থেকে বিক্ষোভ-ভাঙচুর চালানো হয়। সেখানেও পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এসময় ১৫টি কারখানা বন্ধ করে দেয় মালিক পক্ষ।

সকাল থেকেই রাজধানীর মিরপুর সংলগ্ন শেওড়াপাড়ায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এতে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া কালশি এলাকাতেও রাস্তায় নামে তারা। সেখানে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে কর্মসূচি তুলে নেয়া হয়।

এদিকে সাভার ও আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকসহ আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের আশুলিয়ার বেরন এলাকায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও শ্রমিকরা জানায়, সকালে বেরন এলাকার শারমিন গ্রুপের এএম ডিজাইন কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি দিয়ে সড়কে বেরিয়ে আসে। এ সময় শ্রমিকরা আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। পরে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রমিক ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে বিজিবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রায় ১ ঘণ্টা পর টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন জানান, শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় আশুলিয়ার কাঠগড়া ও জামগড়াসহ বেশ কিছু এলাকার প্রায় ১০টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গাজীপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় আজও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল ছুঁড়ে ভাঙচুর করে। ঢাকা বাইপাস সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ধাওয়া দিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0193 seconds.