• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৫:৫৪:৫০
  • ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৫:৫৪:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

এভাবেও ভালোবাসা হয়

ছবি : সংগৃহীত

সমাজে প্রতিবন্ধীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলার পাত্র হয়ে থাকেন। সেখানে তাদের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন শেন বারকাউ (২৬) আর হান্নাহ আইলওয়ার্ড (২৫)। শেন পুরোপুরি বিকলাঙ্গ। চলাফেরা করতে পারেন না। হুইলচেয়ারে তার জীবন বন্দি। এই শেনকেই ভালোবেসে ফেলেছেন হান্নাহ। তারা দু’জন দু’জনকে ভালবাসেন।

সেই ভালবাসা তারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চান। তার মাধ্যমে তারা মানুষকে শিক্ষিত করতে চান যে, প্রতিবন্ধী মানুষরা অবহেলার পাত্র বা পাত্রী নন।

শেন’কে নিয়ে যখন হান্নাহ বের হন তখন অনেকেই তাদেরকে দেখে ভুল করেন। কেউ ভেবে বসেন তারা ভাইবোন। আবার কেউ মনে করেন অর্থের বিনিময়ে শেন’কে দেখাশোনা করেন হান্নাহ। শেনের যত্নআত্মী দেখে অনেকে মনে করে বসেন হান্নাহ বুঝি তার মা। কিন্তু না। এর কোনোটিই নন তিনি। তিনি ভালবাসেন শেনকে। 

শেনের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভ্যানিয়াতে। তার জন্ম হয় স্পাইনাল মাসকুলার অ্যট্রোফি (এসএমএ) নামের এক রোগ নিয়ে। দু’বছর বয়স থেকে তিনি হুইল চেয়ারে। তারপর থেকে এভাবেই জীবন কাটছে তার। এখন থেকে তিন বছর আগে তার জীবনী নিয়ে তৈরি করা প্রামাণ্যচিত্র ‘শেনস লাইফ’। তা দেখে হান্নাহ আপ্লুত হন। সিদ্ধান্ত নেন শেনের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। শেন বই লেখেন। তাতে যে অনুভূতি তিনি তুলে ধরেছেন তার প্রশংসা করেছেন হান্নাহ। তিনি ভেবেছিলেন শেন হবেন খুবই শান্তশিষ্ট একজন মানুষ। এক পর্যায়ে তিনি শেনকে একটি চিঠি লেখেন। এতে তার শারীরিক অক্ষমতার কথা উল্লেখ করেননি তিনি। এরপর টেক্সট ম্যাসেজ এবং ভিডিও কলে তাদের যোগাযোগ হতে থাকে।

মিনেসোটায় একটি কলেজে পড়াশোনা করেন হান্নাহ। শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে শেনকে দেখতে ছুটে যান পেনসিলভ্যানিয়াতে। চারদিন ছিলেন সেখানে। এ সময় একজন আরেকজনকে চিনেছেন খুব কাছ থেকে। সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন তারা জীবনের দীর্ঘ চলার পথে একে অন্যের হাত ধরে থাকবেন।

২০১৮ সালে মিনেসোটার একটি ফ্লাটে উঠে পড়েন তারা দু’জনে। সেখানেই কাটছে তাদের সময়।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 5.0684 seconds.