• বিদেশ ডেস্ক
  • ১১ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:৩৪:৫২
  • ১১ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:৩৪:৫২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

‘ওরা মাথায় পিস্তল ধরে বলেছিলো, শব্দ করলেই গুলি করবো’

ছবি : সংগৃহীত

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে গামছা দিয়ে বেঁধে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ ভরি সোনার গয়না, নগদ ৯৫ হাজার টাকা ডাকাতি করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার মধ্য রাতে কলকাতার বনগাঁ মহকুমার বাগদা গ্রামে সিন্দ্রাণী পূর্বপাড়ায় অনিমেষ বিশ্বাসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তার ছেলে আকাশ বলেন, ‘ডাকাতেরা মাথায় পিস্তল ধরে বলেছিল, শব্দ করলেই গুলি চালিয়ে দেবে। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’

আকাশের বোন, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী বর্ষা বলেন, ‘আমি ঘুমোচ্ছিলাম। ঘুম ভেঙে উঠে দেখি, দাদার মাথায় বন্দুক ধরে ডাকাতেরা মায়ের কাছে চাবি চাইছে।’

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনিমেষ কুয়েতের একটি হোটেলে কাজ করেন। সিন্দ্রাণীর বাড়িতে তার স্ত্রী জ্যোৎস্না, ছেলে আকাশ, মেয়ে বৃষ্টি ও মা বিনোদিনী থাকেন। অনিমেষ সম্প্রতি দেশে ফিরেছিলেন। অন্য কাজে কয়েক দিন আগে গিয়েছিলেন মুম্বইয়ে। বিনোদিনীও এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। 

অনিমেষের পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত দেড়টা নাগাদ বারান্দার কোলাপসিবল দরজার তালা ভেঙে পাঁচ জন লোক বাড়িতে ঢোকে। দু’জন বারান্দায় পাহারায় ছিল। তিনজন ঘরের ভেতর ঢুকে। তাদের হাতে ছিলো পিস্তল, দা, ছোরা। 

গরে ঢুকেই একজন মশারির ভিতর থেকে আকাশকে বের করে এনে গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে। তার মাথার দু’পাশে দু’টি পিস্তল চেপে ধরে একজন জ্যোৎস্নাকে বলে, আলমারির চাবি বার করে দিতে। না হলে ছেলেকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। 

জ্যোৎস্না জানান, চাবি নিয়ে তার শাশুড়ি বেড়াতে গিয়েছেন। তারপরে ডাকাতরা নিজেদের সঙ্গে আনা একটি যন্ত্রের সাহায্যে আলমারি ও শোকেসের তালা খুলে ফেলে। প্রায় ১০ ভরি সোনার গয়না, নগদ ৯৫ হাজার টাকা বের করে নেয় তারা। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে লুটপাট চালিয়ে বাইরের দিক থেকে দরজার ছিটকিনি আটকে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ডাকাতেরা চলে যাওয়ার পরে জ্যোৎস্নাদেবী ভিতর থেকে দরজা খুলতে না পেরে ছাদে উঠে প্রতিবেশীদের ডাকেন।

পড়শি অপর্ণা দাস বলেন, ‘আমরা তখন জেগেই ছিলাম। জ্যোৎস্নার চিৎকারে বাইরে বেরোতে গিয়ে দেখি, আমাদের বাড়ির দরজাটা বাইরে থেকে শিকল টেনে বন্ধ করা। স্বামী টিনের চালার ফাঁক দিয়ে হাত গলিয়ে শিকল খোলেন।’

এ ব্যাপারে বনগাঁর এসডিপিও অনিলকুমার রায় বলেন, ‘পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দুর্বৃত্তদের দ্রুত ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

কলকাতা ডাকাতি

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1637 seconds.