• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৬:১৩:৩১
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৬:১৩:৩১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আ. লীগ নেতার বক্তৃতায় বাক্যে বাক্যে ‘অশ্লীলতা’

সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন শহিদুল ইসলাম হিরণ। ছবি : সংগৃহীত

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পোড়াহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরণের সভায় বক্তব্য দেয়ারত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পরেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ওই ভিডিওতে শহিদুল ইসলাম হিরণের যে বক্তব্য শোনা যাচ্ছে তার বাক্যে বাক্যে রয়েছে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ।

একজন জনপ্রতিনিধির এমন আপত্তিকর কথাবার্তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। হিরণ যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন তা অনেকক্ষেত্রেই প্রকাশযোগ্য নয়। ভিডিওটিতে তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেন।

আওয়ামী লীগ নেতা খোন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ নামে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের টাইমলাইনে প্রথমে প্রকাশ করা হয় ভিডিওটি। এরপর পরই তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরণ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া বাজারের এক পথসভায় পদ্মাকর, দোগাছী ও হরিশংকরপুর ইউনিয়নসহ সদরের পূর্বাঞ্চলের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সারেন্ডার না করলে ‘চো**ন’ দিয়ে পুলিশে দেব। বিএনপি নেতাকর্মীদের পাছার চামড়া তুলে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে বিতাড়িত করা হবে। এই কাজে সাথে থাকবে পুলিশ প্রশাসন।

হিরণ বলেন, পুলিশ ভাইয়েরা শুনে নিন, পদ্মাকর ও হাটগোপালপুরে মিটিংয়ের পর বিএনপি সাটা হবে। আমাদের স্থানীয় নেতারা পুলিশকে যে নির্দেশ দিবে তা পালন করতে হবে। সেই নির্দেশ যদি আপনারা না শোনেন তবে ঝিনাইদহে আপনারা চাকরি করতে পারবেন না। আমি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিস্কার ভাষায় বলে গেলাম।

এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, নির্বাচন সামনে তাই এই এলাকার কোন বিএনপি নেতাকর্মীরা বাজারে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। গোয়ালপাড়া বাজারে যারা বিএনপি করেন, তাদের ঘরে তালা মেরে দেওয়া হবে। তাই এখনো সুযোগ আছে সারেন্ডার করেন, নইলে আপনারা চোখ হারাবেন, পাছার রক্ত বের হবে ও ঠ্যাং ভেঙ্গে দেওয়া হবে। আপনাদের নেত্রী জেলে। আপনারা যার (তারেক রহমান) কথায় বসে আছেন তাকেও এই মাসের মধ্যে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। অতএব আপনারা ইউনিয়ন নেতাদের কাছে সারেন্ডার করেন।

তিনি বলেন, যে সব আওয়ামী লীগ নেতারা বিএনপিকে আশ্রয় দিচ্ছেন আপনারা বিএনপি ও জামায়াতের চর। আপনাদেরও বিএনপি জামায়াতের মতো (অশ্লীল কথা প্রকাশযোগ্য নয়) চামড়া তুলে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঝিনাইদহ সদরের পশ্চিমেও ঘোষণা দিয়েছি। আমরা জামায়াত বিএনপি মুক্ত করবো। যে সব আওয়ামী লীগের নেতারা একজনের ছবি পোষ্টারে দিয়েছেন তাদেরও মধুপুর চৌরাস্তার মাড়ে ‘গু**র’ চামড়া তুলে নেওয়া হবে। আমি হিরণ মাঠে থাকবো। একেকটা ঘর থেকে বের করবো আর ‘গু**র’ চামড়া খুলে নেব। আমি মারবো। কোন পুলিশ যদি বিএনপির পক্ষে সাফাই গায় তবে সেই পুলিশের চাকরি থাকবে না।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1641 seconds.