• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ আগস্ট ২০১৮ ১৩:৫৯:২৮
  • ১০ আগস্ট ২০১৮ ১৭:০৫:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে ভোটে অনিয়ম কমবে : সিইসি

সিইসি কে এম নূরুল হুদা। ছবি : সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে ভোটে অনিয়মের মাত্রাও কমে যাবে। তবে বাংলাদেশের ‘বাস্তবতায়’ বড় নির্বাচনে অনিয়ম ‘একেবারেই হবে না’- এমন নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব নয়।’

বৃহস্পতিবার একটি অনলাইন পত্রিকায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্র, প্রায় ৩ লাখ ভোটকক্ষ- এত বড় নির্বাচনে কোথাও অনিয়ম হবে না- এমন কথা বললেও মিথ্যা কথা বলা হবে। আমি বাস্তবতার কথা বলছি; অনিয়ম হবে না- এমন নিশ্চয়তা আমি তো দিতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘ভোটের আগে আর সংলাপ করব না। নভেম্বরের শুরুতে তফসিল হতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হলে অনিয়ম করার সুযোগও পায় না কেউ।’

ভোটের অনিয়ম নিয়ে সম্প্রতি সিইসির একটি বক্তব্য আলোচনার জন্ম দেয়। সিইসি বলেন, বড় নির্বাচনে অনিয়ম হবে না- এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। কোনো নির্বাচনে যদি অনিয়ম হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।’

সিইসির এমন মন্তব্যের পর তাকে ‘সংযত’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এরপ্রেক্ষিতে সিইসি বলেন, ‘আমি তো বাস্তব কথাটা বলেছি। সত্য কথা বলেছি। যদি কোথাও অনিয়ম হবে না বলি-মিথ্যা বলা হবে; আমি তো মিথ্যা কথা বলি না। এখন এ  নিয়ে কেউ কিছু বললে বলতে পারে।’

সিইসির বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা বা মন্তব্য করা সবারই ‘গণতান্ত্রিক অধিকার’ বলে মনে করেন কে এম নূরুল হুদা।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে তার ওই বক্তব্যের কারণে জনমনে শঙ্কা তৈরি হওয়ারও কোনো কারণ নেই। সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আইন শৃঙ্খলাবাহিনী থাকবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আমাদের যা যা ব্যবস্থা নেয়ার তা নেব আমরা।’

নির্বাচনকালীন সরকারের সময় শুরুর পর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কমিশন ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করবে বলে জানান সিইসি।

দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নূরুল হুদা বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বীরা মাঠে থাকলে ‘যে কোনো অনিয়ম’ প্রতিরোধ হবে। আশা করি সংসদ নির্বাচন প্রতিযোগতামূলক হবে। কেউ যদি মাঠেই না থাকে তাহলে তো যারা মাঠে থাকে তাদের অবস্থান বেশি দেখা যায়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা যত বেশি শক্তভাবে মাঠে থাকবে, উপস্থিতি থাকবে; অনিয়ম প্রতিরোধ করবে তারাই।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1596 seconds.