• ফিচার ডেস্ক
  • ০৫ জুন ২০১৮ ২২:১৬:১৮
  • ০৫ জুন ২০১৮ ২২:১৬:১৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
advertisement

রোজায় ডায়াবেটিস রোগিদের জন্য ১০ সতর্কতা

ছবি : সংগৃহীত

ডায়াবেটিস রোগিদের সারা বছরই সাবধানে থাকতে হয়। আর রমজান মাস এলেতো নিতে হয় বাড়তি সতর্কতা। এটি এমন একটি রোগ, যার সঙ্গে খাদ্যাভাস ও লাইফস্টাইলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। রোজা রাখলে দীর্ঘ সময় অনাহারে থাকতে হয়। আবার অনেকেই ইফতার ও সেহরিতে এমন খাবার গ্রহণ করেন, যা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর। এসব কারণে শারীরিক নানা সমস্যা হতে পারে। এসব সমস্যা এড়াতে কিছু বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

১. সেহরির শেষ সময়ের অল্প কিছুক্ষণ আগে সেহরি খেতে হবে।

২. ইফতারের সময় অধিক পরিমাণে মিষ্টি ও চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যাবে না।

৩. ডায়াবেটিক রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যেন তারা পানিশূন্যতায় না ভোগেন। খেজুর খেলে মাত্র একটা খেতে পারেন।
 
৪. ফলমূল, শাকসবজি, ডাল ও টক দই খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। ডাবের পানি পান করতে পারেন। পিঁয়াজু, বেগুনি, পুরি, পরোটা কাবাবের মতো খাবার অল্প পরিমাণে খেতে পারেন।

৫. খাদ্যের ক্যালরি ঠিক রেখে খাওয়ার পরিমাণ এবং ধরন ঠিক করতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ খাওয়া প্রয়োজন।

৬. রমজানের আগে যে পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতেন, রমজানে ক্যালরির পরিমাণ ঠিক রেখে খাবার সময় এবং ধরন বদলাতে হবে।

৭.  রোজা রাখা অবস্থা সুগার বেশি কমলে বা বেড়ে গেল সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৮. রোজার সময় নিজে ডায়াবেটিসের ওষুধ সমন্বয় করবেন না, এতে মারাত্মক পরিণতি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৯. রোজার সময় দিনের বেলা অতিরিক্ত ব্যায়াম করা উচিত নয়। এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে চিনি কমে যাওয়া) হতে পারে।

১০. রোজার সময় রাতের বেলা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, কম মিষ্টি রসালো ফল এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। যাদের দুধ খেলে হজমের সমস্যা হয়, তাদের দুধ না খাওয়াই ভালো।

advertisement

সংশ্লিষ্ট বিষয়

রোজা ডায়াবেটিস

আপনার মন্তব্য

advertisement
Page rendered in: 0.1698 seconds.