• ফিচার ডেস্ক
  • ১৫ মার্চ ২০১৮ ২২:৩৪:২৩
  • ১৫ মার্চ ২০১৮ ২২:৩৪:২৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

গ্রেট ওয়াল অফ চায়না

ছবি: সংগৃহীত

চীনের প্রাচীর বা গ্রেট ওয়াল অফ চায়না পৃথিবীর সপ্তশ্চার্যের মধ্যে হল একটি। পৃথিবীর অন্যতম ব্যায়বহুল এই প্রকল্প উডোভোগ করতে প্রতিনিয়ত ভিড় জমে থাকে পর্যটকদের। বছরের প্রতিটি রৃতুতেই চীনের প্রচীরের প্রাকৃতিক দৃশ্য যেন নব রুপ পায়। বছরের এসময় পাহার ঘেরা প্রকৃতি যেন আবার নতুন করে সবুজ আকার ধারন করে এবং সতেজ হয়ে উঠে আশেপাশের সৌন্দর্য।

মাটি ও পাথর দ্বারা নির্মিত এই মহা প্রাচীর বেশ কিছু দুর্গের সমষ্টি নিয়ে গঠিত। সাধারনত বহিরাগত শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা এবং সামরিক অনুপ্রবেশ ঠেকানোই ছিল এই মহা প্রাচীর নির্মাণের উদ্দেশ্য। যে কারণে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক অবকাঠামোও বলা হয়ে থাকে। চীনাদের ভাষায় এই বিশাল প্রাচিরকে ছাং ছং নামে ডাকা হয় ।

আশ্চর্য পৃথিবীর এই দীর্ঘতম প্রাচীর, দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৬৯৫ কিলোমিটার বা প্রায় ১৬৮৪ মাইল। উচ্চতা ৪.৫৭ থেকে ৯.২ মিটার বা প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট। চওড়ায় প্রায় ৯.৭৫ মিটার বা ৩২ ফুট। চীনের প্রাচীর তৈরী করা আরম্ভ হয়েছিল ২২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আর শেষ হতে লাগে প্রায় ১৫ বছর। তৈরী হয় ইঁট আর পাথর দিয়ে।প্রশ্ন হল, এরকম একটা বিকট আকৃতির প্রাচীর তৈরী করার প্রয়োজন কেন হয়েছিল?

মঙ্গোলিয়ার যাযাবর দস্যুদের হাত থেকে চীনকে রক্ষা করার জন্য এই গ্রেট ওয়াল অফ চায়না তৈরী করা হয়েছিল। ২৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চীন বিভক্ত ছিল খণ্ড খণ্ড রাজ্যে আর প্রদেশে। এদের মধ্যে একজন রাজা যার নাম ছিল ষি হুয়াং-টি, তিনি অন্যান্য রাজাদের সংঘবদ্ধ করে নিজে সম্রাট হন।

চীনের উত্তরে গোবী মরুভূমির পূর্বে দূর্ধর্ষ মঙ্গলদের বাস, যাদের কাজই হল লুটতরাজ করা। এদের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য সম্রাটের আদেশে চীনের প্রাচীর তৈরীর কাজ আরম্ভ হয়। প্রাচীর তৈরী হয়েছিল চিহলি পুরানো নাম পোহাই উপসাগরের কূলে শানসীকুয়ান থেকে কানসু প্রদেশের চিয়াকুমান পর্যন্ত।

যা যা দেখবেন: এই বিশাল প্রাচীরটির চারপাশে ভ্রমনের পাশাপাশি ,যে জিনিসগুলো আপনার আনন্দের নতুন মাত্রা যোগ করবে তা হল-

(১) মুতিয়ান্যু-এ স্লেজ গাড়ি ভ্রমন

(২) মুতিয়ান্যু ক্যাবল কার রাইড

(৩) নান্ গিড়িপথ ভ্রমন

এছাড়াও সিমতাই- তে প্যারাগ্লাইডিং আপনার ভ্রমন পিপাসু মনকে আরও রাঙিয়ে তুলবে। সেই সাথে ক্যাবল কার এর মাধ্যমে প্রাচীরটির জিনশানলিঙ্গ বরাবর সর্বোচ্চ শীর্ষ কেন্দ্র ভ্রমনের অভিজ্ঞতা নিতে একদম ভুলবেন না।

জেনে নিন চীনের প্রাচীর ভ্রমনের সময়সুচি-

(১) গ্রিস্মকালে সকাল ৬.৩০টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

(২) শীতকালে সমকাল ৭.০০টা থেকে সন্ধ্যা ৬.০০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

কিভাবে যাবেন

চীনের বিমমানবন্দর থেকে গ্রেট ওয়াল অফ চায়না বিভিন্ন মাধ্যমে যাওয়া যেতে পারে তবে এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস ট্রেন ধরে প্রথমে ডোঙ্গঝিমেন পযর্ন্ত যেতে পারেন, তারপর আপনি ২ নং সাবওয়ে লাইন পাতাল রেল দ্বারা যীশুইটান স্টেশনে নেমে ডেশেঙ্গমেন পর্যন্ত হেঁটে ৯১৯ নং বাস ধরলে আপনাকে বহুল প্রতিক্ষিত থেকে গ্রেট ওয়াল অফ চায়না পৌঁছে দেবে। এছাড়াও আপনার সুবিধাজনক উপায়ে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছাতে পারেন।

বাংলা/এমএইচ২/এমএইচ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0182 seconds.