• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ১৫ মার্চ ২০১৮ ১৪:৫৯:৩৬
  • ১৫ মার্চ ২০১৮ ১৪:৫৯:৩৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মেসির ম্যাজিকে উড়ে গেলো চেলসি

ছবি: সংগৃহীত

মেসি মানেই ইতিহাস, মেসি মানেই গোল আর মেসি মানেই জয়। ক্যাম্প ন্যুয়ে আরও একবার জ্বলে উঠলেন লিওনেল মেসি। চেলসির সঙ্গে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্র করেছিল বার্সেলোনা। বুধবার দ্বিতীয় লেগে চেলসিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শেষ আটে পৌঁছে গেলো বার্সেলোনা।

ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মাথায় গোলের দেখা পান মেসি। ডান দিক থেকে আক্রমণে ওঠা এই তারকা ফরোয়ার্ড দেম্বেলের সঙ্গে পাস দেওয়া-নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন কিন্তু সতীর্থের বাড়ানো বল মার্কো আলোনসোর পায়ে লেগে চলে যায় সুয়ারেসের কাছে। উরুগুয়ে স্ট্রাইকারের ফিরতি পাস পেয়ে বাইলাইনের কাছ থেকে ডান পায়ে শট নেন মেসি। বল গোলরক্ষকের দুপায়ের মধ্যে দিয়ে জড়ায় জালে। নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের সবথেকে দ্রুততম সময়ে মাত্র ২ মিনিট ৮ সেকেন্ডের মাথায় গোলটি করলেন এই যাদুকর।

ম্যাচের ২০ মিনিটে অসাধারণ এক কাউন্টার এটাক থেকে চেলসির ৩ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে মেসি বল পাঠান ডেম্বেলের কাছে। ডেম্বেলের বুলেট গতির শট রুখে দেয়া সম্ভব হয়নি কর্তোয়ার। ফলে ২০ মিনিটে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে চেলসি। কোয়ার্টারে যেতে হলে তখন তাদের অন্তত ২টি গোল করতেই হবে। এমন অবস্থাতেও খেই হারায়নি চেলসি। একের পর একে আক্রমণ চালিয়ে যায় তারা। সুযোগও পেয়েছিল অ্যান্তনিও কন্তের দল। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে মার্কস আলোন্সোর ফ্রি কিক বার্সার গোলকিপার টের স্টেগানকে পরাস্ত করতে পারলেও পরাস্ত করতে পারেনি গোলবারকে। গোলবারে লেগে বল বাইরে চলে গেলে ম্যাচে ফেরা হয়নি চেলসির।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ বজায় রাখে চেলসি। কিন্তু অধরা গোল যেন ধরাই দিচ্ছিল না তাদের। ৫০ মিনিটে মার্কস আলোন্সোকে ডিবক্সে ফাউল করলেও রেফারি পেনাল্টি সিদ্ধান্ত দেননি। উল্টো পেনাল্টি না দেয়ার প্রতিবাদ করাতে জিরুড পান হলুদ কার্ড। ৫৭ মিনিটে ইনিয়েস্তাকে উঠিয়ে পাউলিনহোকে নামান বার্সা কোচ। চেলসির আক্রমণ প্রতিহত করার জন্যেই মূলত এই কৌশল।

৬৩ মিনিটে আবারও মেসি ম্যাজিক। আবার সুয়ারেজের পাস থেকে ডিবক্সের বাইরে থেকে বল নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন মেসি। বা পায়ের জোড়ালো শটে কর্তোয়ার পায়ের নিচ দিয়ে আবারও বল জালে জড়ান এই আর্জেন্টাইন। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে কম ম্যাচ খেলে ১০০ গোল করার রেকর্ড স্পর্শ করলেন এই ফুটবলার। মেসির যেখানে ১০০ গোল করতে লাগলো ১২৩ ম্যাচ সেখানে রোনালদোর লেগেছিল ১৩৭ ম্যাচ।
৩-০ গোলে এগিয়ে থাকায় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় বার্সেলোনার কোয়ার্টার ফাইনাল। কেননা চেলসিকে তখন বাকি ২৭ মিনিটে করতে হতো ৩ গোল। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে রুডিগারের হেড আবারও বারে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় চেলসি।

এই জয়ে শেষ দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আট নিশ্চিত করলো বার্সেলোনা। এর আগে স্পেন থেকে দুইটি, ইংল্যান্ড থেকে দুইটি, জার্মানি থেকে দুইটি এবং ইতালি থেকে দুইটি দল কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে।

বাংলা/আরআই/এমএইচ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1716 seconds.