• বাংলা ডেস্ক
  • ১৩ মার্চ ২০১৮ ১৭:৪৭:০২
  • ১৩ মার্চ ২০১৮ ১৭:৪৭:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
advertisement

বাংলাদেশের যত বিমান দুর্ঘটনা

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বে ভয়াবহ অনেক বিমান দুর্ঘটনার কথাই আমরা জানি। বিভিন্ন কারণে ঘটে এ ধরনের দুর্ঘটনা। ওই সময় পাইলট-ক্রুদের অসহায়ের মতো সমর্পণ করা ছাড়া যেনো কিছুই করার থাকে না। বাংলাদেশের কয়েকটি বিমানের ভাগ্যেও জুটেছে এমন ঘটনা। তেমন কিছু আলোচিত বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন।

১৯৭২ সাল : স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর প্রশিক্ষণ বিমান ডিসি-৩ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৮৪ সাল : ১৯৮৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকায় খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে অবতরণ করার সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফকার এফ২৭-৬০০ বিমানটি বর্তমান শাহজালাল আন্ত্মর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি জলাভূমির মধ্যে ক্র্যাশ করে। বিমানটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বিমানবন্দর থেকে পূর্বনির্ধারিত ঘরোয়া যাত্রী ফ্লাইট পরিচালনা করছিল। এতে ৪ জন ক্রু ও ৪৫ জন যাত্রীসহ সবাই নিহত হন।

১৯৯৭ সাল : ১৯৯৭ সালের ২২ ডিসেম্বর ৮৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ফকার এফ২৮-৪০০০ মডেলের বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৬০৯ ঢাকা থেকে সিলেট যাচ্ছিল। সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় কুয়াশার কারণে রানওয়ের পাদদেশ থেকে ৫ থেকে সাড়ে ৫ কিলোমিটার দূরে উমাইরগাঁও নামক স্থানের একটি ধানক্ষেতে বিধ্বস্ত্ম হয়। এতে ১৭ জন যাত্রী অহত হন।

২০০৪ সাল : ২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর আবারও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা ঘটে। এটিও ১৯৯৭ সালে দুর্ঘটনার কবলে পড়া বিমানের মডেলের অনুরূপ ফকার এফ২৮-৪০০০ মডেল। সেদিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৬০১ ঢাকা থেকে সিলেট যাচ্ছিল। অবতরণের পর রানওয়ে ভেজা থাকার কারণে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়। এতে ৭৯ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রুর মধ্যে ২ জন আহত হন।

২০১৫ সাল : ২০১৫ সালের ৯ মার্চ কক্সবাজারে একটি কার্গো বিমান বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত্ম হয়। সে ঘটনায় পাইলটসহ ৩ জন নিহত হন। উড্ডয়নের ৫ মিনিটের মাথায় সাগরে আছড়ে পড়ে বিমানটি। এছাড়া ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে সিলেট বিমানবন্দরের রানওয়েতে আরেক দফা দুর্ঘটনা ঘটে। সেদিন দুবাই থেকে সরাসরি আসা উড়োজাহাজে ২২০ জন যাত্রী ছিলেন। ওই সময় বিজি-৫২ বিমানের ডানদিকের ইঞ্জিনের ভেতর পাখি ঢুকে পড়ে। তখন চারটি বেস্নড ভেঙে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। সেদিন সকাল ৭টায় রানওয়েতে অবতরণের সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

২০১৮ সাল : ১২মার্চ ২০১৮  নেপালের কাঠমন্ডুতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স নেপালের কাঠমুন্ডুতে বিধ্বস্ত হয়। এয়ারলাইন্সটি ৬৭ জন যাত্রী, দুইজন পাইলট ও দুইজন কেবিন ক্রু নিয়ে বাংলাদেশ সময় ১২টা ৫১ মিনিটে নেপালের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমুন্ডু বিমানবন্দরে রানওয়েতে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এয়ারলাইন্সটিতে আগুণ ধরে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে অদূরে একটি ফুটবল মাঠে গিয়ে পড়ে। নিহতদের সংখ্যা এখনো পর্যন্ত ৫০ জন।

স্বাধীনতার পর থেকে এই অবধি, দেশের মাটিতে বাংলাদেশি বিমান সংস্থার (সরকারি-বেসরকারি) মোট ১২টি বিমান দূর্ঘটনায় পতিত হয়েছে বলে এভিয়েশন সেফটি নেট (এএসএন) সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া, তিনটি বিদেশি কোম্পানির বিমানও বাংলাদেশের মাটিতে দূর্ঘটনার মুখে পড়েছিল।

বাংলা/এমআর

advertisement

আপনার মন্তব্য

advertisement
Page rendered in: 0.1700 seconds.