• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:৫৩:১৮
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:৫৩:১৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
advertisement

আইএস সম্পৃক্ততায় এক নারীর ফাঁসি, ১‌১ জনের যাবজ্জীবন

ছবিঃ সংগৃহীত

ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ইরাকি আদালতে এক তুর্কি নারীকে মৃত্যুদণ্ড ও আরও ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ১২ নারীর মধ্যে একজন আজার বাইজানের, বাকিরা সবাই তুরস্কের নাগরিক। -খবর আলজাজিরা।

তাদেরকে মসুল ও তাল আফার শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের সবার স্বামী ইরাকি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত তুর্কি নারী জানান, তিনি স্বামী ও সন্তানদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় আইএসে যোগ দিতে ইরাকে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের তুরস্ক ছাড়তে হয়েছিল কারণ আমার স্বামীকে সেখানে গ্রেপ্তারের জন্য খোঁজা হচ্ছিল। আমরা একটি ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাস করতে চেয়েছি, যেখানে শরীয়া বা ইসলামিক আইন কার্যকর আছে।’

ইরাকি বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে তার স্বামী ও তিন সন্তান নিহত হয়েছেন বলেও জানান ওই নারী। ৪৮ বছর বযসী ওই নারী বলেন, ‘আমি এখানে আসার জন্য অনুতপ্ত।

রায় ঘোষণার সময় তার চোখ থেকে অঝোরে পানি ঝরছিল। অন্য নারীরাও তখন ভেঙে পড়েন। তাদের আইনজীবিরা বলেন, ‘এসব নারী তাদের স্বামীদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন। তারা ইরাকে আসতে চাননি। কোনো সহিংসতায় জড়ানোর ইচ্ছাও তাদের ছিল না।’ কিন্তু সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের সবাই অভিযুক্ত বলে প্রমাণিত হয়েছেন।

নিজের সম্পর্কে আজারবাইজানের নারী জানান, আমি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমার স্বামীর সঙ্গে পরিচিত হই। তিনি আমাকে তুরস্কে সাক্ষাৎ করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু একজন মধ্যস্থতাকারী আমাকে বলেন, তিনি আমাকে আমার স্বামীর কাছে নিয়ে যাবেন। কিন্তু তিনি কোথায় থাকেন, তা আমাকে বলা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, তিনি তুরস্কে বসবাস করেন। কিন্তু পরবর্তীতে আমি নিজেকে সিরিয়ায় আবিষ্কার করলাম, সেখান থেকে আমার স্বামী আমাকে ইরাকে নিয়ে আসে।’

বাংলা/এমআর

advertisement

সংশ্লিষ্ট বিষয়

আইএস ইরাক নারী ফাঁসি

আপনার মন্তব্য

advertisement
Page rendered in: 0.1716 seconds.