• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২০:৪৪
  • ১১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২০:৪৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

'এ বছরই ৬৪ জেলায় দারাজের হাব’

সৈয়দ মোস্তাহিদল হক। ছবি: সংগৃহীত

দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম দারাজ ডটকম ডটবিডি। অনলাইনে খুব সহজে শপিং করার সুযোগ করে দিয়েছে দারাজ। দারাজের ওয়েবসাইটে ঢুকলেই আপনি পেয়ে যাবেন ফ্যাশন, ইলেক্ট্রনিকস, মোবাইল, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, গ্রোসারী পণ্য।

গত কয়েক বছর যাবত কেনাকাটার বিশ্বস্ত নাম দারাজ অনলাইন। শুরুর দিকে ২ জন ভারতীয় ও একজন ফরাসী দারাজ বাংলাদেশের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গত বছরের ৩১ মে দারাজে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন সৈয়দ মোস্তাহিদল হক। মোস্তাহিদল যুক্তরাজ্য থেকে পড়াশোনা শেষ করে সেখানকার একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

সৈয়দ মোস্তাহিদল হক দারাজের বর্তমান অবস্থা, আগামী পরিকল্পনা, এই বছরে দারাজের কি কি নতুন চমক থাকছে? এই সকল বিষয় বাংলা ডট রিপোর্টের স্টাফ রিপোর্টার অঞ্জন চন্দ্র দেব’র সাথে একান্ত স্বাক্ষাতকারে উঠে আসে।

বাংলা: এ মুহূর্তে বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টরের অবস্থা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

মোস্তাহিদল: ই-কমার্স সেক্টরের বর্তমান অবস্থান খুবই ভালো, এই সেক্টরটি এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেমনটা চেয়েছিলাম তার থেকেও ভালো এগিয়েছে ই-কমার্স সেক্টর। মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে এই সেক্টরে। সর্বস্তরের মানুষের কাছে যেতে এবং আস্থা তৈরি করতে আর কমপক্ষে ৪-৫ বছর লাগবে।

বাংলা: ২০১৭ সালে এই সেক্টরের ইতিবাচক কী কী ঘটনা ঘটেছে বলে আপনি মনে করেন?

মোস্তাহিদল: ২০১৭ সালে ই-কমার্সে সরকারের এটুআই অনেকগুলো নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) অনেকগুলো কাজ করেছে। তারা সকল মেম্বারকে একসাথে করে অনেক অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০১৭ সালের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ই-কমার্সকে সবার সামনে তুলে ধরতে বড় ভূমিকা পালন করেছে। গ্রাম-অঞ্চলে ই-কমার্সের ব্যবহার বাড়াতে সবাই এক সাথে কাজ করেছে। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ই-কমার্সে বেড়েছে গ্রাহক।

বাংলা: দারাজের কেমন গেল ২০১৭? 

মোস্তাহিদল: ২০১৭ সালটি দারাজের জন্য শুভকর ছিল। দারাজ শুরুর দিকে মোবাইল ও ইলেক্ট্রনিকস নিয়ে কাজ করতো। ২০১৭ সালে আমরা অনেক পণ্য নিয়ে কাজ করেছি। সাড়া মিলেছে অনেক ভালো। আমাদের লক্ষ্য ছিল মানুষ যাতে দারাজে এসে সব কিছু পায় আর আমরা এভাবেই ২০১৭ সালে দারাজকে প্রস্তুত করতে পেরেছি।

বাংলা: ২০১৭ সালে দারাজের নতুন চমক কি ছিল? ২০১৮ তে কি থাকবে? 

মোস্তাহিদল: ২০১৭ সালে আমরা ১৯টি জেলায় দারাজের হাব প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। এই জেলাগুলোতে নিজেরা পণ্য ডেলিভারি করেছি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি সবগুলো জেলায় দারাজের হাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই হাবের মাধ্যমে পণ্য দ্রুত সময়ে ডেলিভারি দেয়া হবে। দারাজ স্টোর নামে একটি নতুন সার্ভিস চালু হবে দারাজে।

বাংলা: এই বছরে গ্রাহকদের জন্য কি ভাবনা রয়েছে? 

মোস্তাহিদল: ২০১৮ সালে একটাই ভাবনা, সেটা হলো কাস্টমারদের সেরা সার্ভিস দেয়া। ডেলিভারিটা যাতে দ্রুত দেয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ করা।

বাংলা: গ্রাহকরা নতুন কি পাবে এইবছর? 

মোস্তাহিদল: আগেই বলেছি গ্রাহক আমাদের কাছ থেকে সেরা সার্ভিস পাবে এই বছর। আমাদের সাথে এই বছর বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান যুক্ত হচ্ছে। তাদের পণ্য দারাজে মিলবে।

বাংলা: ই-কমার্সে সচেতনতা বৃদ্ধিতে দারাজ কি করছে? 

মোস্তাহিদল: আমার এখনো ইউনিয়ন পর্যায়ে কাজ ‍শুরু করেনি। তবে উপজেলা শহরগুলোতে বিভিন্ন ক্যাম্প করছি। গ্রাহকদের বুঝানোর চেষ্ঠা করছি। কিভাবে তারা অনলাইন থেকে অর্ডার করবে। খুব সহজে কিভাবে অনলাইনে পণ্য পাবে।

বাংলা: ই-কমার্সকে গ্রাম-অঞ্চলে বিস্তার করতে কি করা উচিত? 

মোস্তাহিদল: ই-কমার্সকে সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে ইন্টারনেটের বিকল্প নেই। যদি গ্রামে ইন্টারনেট থাকে তখন ই-কমার্স ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে।

বাংলা: ই-কমার্সে কর্মসংস্থানে সম্ভবনা কেমন? 

মোস্তাহিদল: ই-কমার্সে কর্মসংস্থানে সম্ভবনা অনেক। দারাজে (https://www.daraz.com.bd/) বর্তমানে ৭০০ জনবল রয়েছে । এই বছর আরো ১ হাজার নতুন জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।

বাংলা: নতুনদের সর্ম্পকে অাপনার মতামত কি ? 

মোস্তাহিদল: ই-কমার্সের অনেক সম্ভবনা রয়েছে। যদি কেউ তাদের চেষ্টা ও সততা থাকে তাহলে ভালো করতে পারবে।

বাংলা: অাপনাকে অনেক ধন্যবাদ বাংলা ডট রিপোর্টকে সময় দেয়ার জন্য। 

মোস্তাহিদল: অাপনাকে ও বাংলা ডট রিপোর্টের জন্য অনেক শুভকামনা।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0183 seconds.