নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্যকে জানাতে পারেন:

advertisement
প্রতীকী ছবি

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে রাজু মিয়া (১৯) ও মোছা. স্বপ্না আক্তারকে (৩১) ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে শ্রীঘরে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সরকারি আদেশ অমান্য করার দায়ে তাদের দুইজনকে এ কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও মো.মামুন খন্দকার।

দণ্ডিত প্রেমিক রাজু উপজেলার খাগাউরা ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মো.আলী হুসেনের ছেলে। প্রেমিকা স্বপ্না আক্তার হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মারাপইল গ্রামের মৃত কেরামত আলীর মেয়ে। মঙ্গলবার রাতে ইউএনও’র কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে দুইজনের মন দেয়া-নেয়া চলছিল। বেশ কয়েকদিন ধরে প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে প্রেমিকা। এ অবস্থায় প্রকৃত বয়স গোপন করে তারা কোর্টে গিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রেমিক রাজুর বয়স। তিনি প্রেমিকা স্বপ্নার চেয়ে ১২ বছরের ছোট।

বিষয়টি প্রেমিকের পরিবারের জানাজানি হলে প্রেমিকের বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। থানা পুলিশের এসআই নাজমুল হক দুইজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করেন।

প্রথমে ইউএনও মো. মামুন খন্দকার প্রেমিকাকে বিয়ে না করার জন্য প্রেমিককে বুঝানোর চেষ্টা করেন। নাছোড়বান্দা প্রেমিক-প্রেমিকা কিছুতেই বুঝতে নারাজ। এ অবস্থায় ছেলের বয়স কম হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়ে শ্রীঘরে পাঠিয়ে দেন ইউএনও।

প্রসঙ্গত, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৪ নামে আইনের খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে ২১ বছরের আগে কোনো ছেলে ও ১৮ বছরের আগে কোনো মেয়ে বিয়ে করলে অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে গণ্য হবে। 

বাংলা/আরএইচ

advertisement

আপনার মন্তব্য