বিনোদন ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

advertisement
sotabdi-raj-shuvosri
ফাইল ছবি

২০১১ সালের শেষ দিকের খবর। নিজের ওপর চলা অবিচার আর মেনে নিতে পারেননি শতাব্দী মিত্র। এরপর রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই হিসেবে বিচ্ছেদের পর কেটে গেছে ৭ বছর। অতীত ভুলে গত শুক্রবার কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলির সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন এই সময়কার টালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক রাজ। কিন্তু অতীত নিয়ে যে টানা হেঁচড়া হবে না তা কি হয়। রাজের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়।

রাজের বিয়ের খবর পৌঁছে গেছে শতাব্দী মিত্রের কানে। সব ভুলে তিনি শুভশ্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তার এক বন্ধুর কাছে শতাব্দী স্পষ্টই জানিয়েছেন, অতীতের যাবতীয় তিক্ততার পরেও শুভশ্রীকে নিয়ে রাজ খুশি থাকুন, এমনটাই চান তিনি।

৬ বছর প্রেমের পর ২০০৬ সালে বিয়ে হয় রাজ ও শতাব্দীর। শতাব্দীকে বিয়ে করার পরে ‘‌চিরদিনই তুমি যে আমার’‌, ‘‌চ্যালেঞ্জ’‌, ‘‌প্রেম আমার’‌–এর মতো হিট ছবি উপহার দিয়েছিল রাজ। ততদিনে রাজকেও ঘরের ছেলে বলে স্বীকার করে নেন শতাব্দীর পরিজনরা।

তাহলে কিভাবে ভেঙে গেল তাদের সম্পর্ক? ঘনিষ্ঠমহলে শতাব্দী দাবি করেছিলেন, তার সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে থাকলেও শুভশ্রীর সঙ্গে প্রেম করতে শুরু করেছিলেন রাজ। সেটা নিয়ে বাড়িতে অশান্তিও হয়। এমনকী, শুভশ্রীর বাড়িতে ফোন করে এই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন শতাব্দী। শুভশ্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়, বয়স কম, তাই ভুল করে ফেলেছেন শুভশ্রী। তিনি এই সম্পর্ক থেকে সরে আসবেন। এরই মধ্যে গুজব রটে শুভশ্রী নাকি প্রেম করছেন নায়ক দেবের সঙ্গে।

কিন্তু তবু আশ্বস্ত হতে পারেননি শতাব্দী। পেশায় সংবাদ মাধ্যমের কর্মী শতাব্দীর এক বান্ধবী বলছেন, ‘‌ততদিনে আর এক নায়িকা পায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল রাজের। দিনের পর দিন একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন তারা। শতাব্দীর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করতেন রাজ। তারপরও বলিউডের এক বাঙালি গায়িকা এবং আরো কয়েকজন নারীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল রাজের।’ তাই‌ বিরক্ত হয়েই নাকি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শতাব্দী। ২০১১–এর শেষের দিকে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাদের। তবে এতকিছুর পরেও নাকি শতাব্দী বীতশ্রদ্ধ নন রাজের ওপরে। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, ‘‌রাজ খুব বিচিত্র একটা মানুষ।’

বাংলা/আরএইচ

advertisement

আপনার মন্তব্য