বাংলা ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

advertisement
গীতা
ছবি : সংগৃহীত

মন্দিরের পুরোহিত ও লেখকসহ ২০ জন বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন ভারতের এক মুক ও বধির নারীর জন্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিয়ের বিজ্ঞাপন দেয়ার পর গীতা নামের ওই নারীর জন্য এমন সাড়া পড়েছে।

খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক দিন আগে গীতার জন্য ফেসবুকে বিয়ের পাত্র চেয়ে পোস্ট দেন দিল্লির একজন অধিকারকর্মী জ্ঞানেন্দ্র পুরোহিত। এই জ্ঞানেন্দ্রই গীতার হারিয়ে যাওয়া বাবা-মাকে খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন।

২০ জন পুরুষ গীতাকে বিয়ের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছেন। তারা তাদের জীবন-বৃত্তান্তও পাঠিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনই আবার প্রতিবন্ধী। তবে বাকিরা স্বাভাবিক, বলেন জ্ঞানেন্দ্র।

তিনি আরও বলেন, আগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মন্দিরের পুরোহিত ও আরেকজন নিজেকে লেখক বলে দাবি করেছেন।

গীতার জন্য বিয়ের পাত্র দেখতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তাকে নির্দেশ দিয়েছেন, এর আগে এমনটা দাবি করেছিলেন জ্ঞানেন্দ্র।

জ্ঞানেন্দ্র গীতার বাবা-মাকে খুঁজে বের করার জন্য ফেসবুকে ‘রিইউনাইট গীতা, এ ডেফ গার্ল, উইথ হার ফ্যামিলি’ পেজে ওই বিয়ের পোস্ট দেন। ‘আমরা ভারতের মেয়ে গীতার’ জন্য ২৫ বছরের বেশি বয়সী ‘ভালো ও স্মার্ট বধির ছেলে’ খুঁজছি, ১০ এপ্রিল খোলা এই পেজের বিজ্ঞাপনে এমনটাই বলা হয়।

গীতা নিজেই প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার অন্যান্য বিষয়গুলো দেখভাল করবে, এমনটাই বলা হয়েছিল ওই বিজ্ঞাপনে।

আপাতত গীতা বসবাস করছেন মুক-বধির সংগঠন নামের একটি এনজিও-তে। মধ্যপ্রদেশ সোশ্যাল জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট তার দেখভাল করছে।

গীতাকে সাত-আট বছর বয়সে সামঝাউটা এক্সপ্রেস নামের ট্রেনের মধ্যে পাওয়া যায়। সে হয়তো ভারতের কোনো একটি স্থান থেকে ভুলক্রমে লাহোরগামী ওই ট্রেনে উঠে পড়েছিল এমনটাই ধারনা করা হয়েছিল তখন। পাকিস্তানে থাকা অবস্থায় গীতার খেয়াল রেখেছিল করাচিভিত্তিক এদি ফাউন্ডেশন। পরে গীতা ভারত ফিরে আসতে সক্ষম হয় ২০১৫ সালে।

অন্যদিকে ভারত ফেরার পর গীতার বাবা-মা হিসেবে দাবি করেছেন কমপক্ষে ১০ দম্পতি। তবে তারা জোরালো দলিল দেখাতে পারেনি তাদের দাবির স্বপক্ষে।

বাংলা/টিএ/আরএইচ

advertisement

আপনার মন্তব্য