বিদেশ ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

sreya
ছবি: সংগৃহীত

দাদার মরদেহ দেখতে নেপাল যাচ্ছিলেন কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্রী শ্রেয়া ঝা। তবে দাদার মরদেহ আর দেখা হল না তার। নিজেই মরদেহতে পরিনত হয়েছেন তিনি।

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটিতে তিনিও ছিলেন।

শ্রেয়া ঝা নেপালের মাহোত্রারী সানফা-৩ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম লাকসমান ঝা ও মায়ের নাম মাধুরী ঝা।

কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ জোনিয়েছেন, রোববার নেপাল থেকে শ্রেয়া ঝার দাদার মৃত্যু সংবাদ আসে। সংবাদ পেয়ে তিনি ছুটির আবেদন করেন।

ছুটি মঞ্জুর হওয়ার পর শ্রেয়া ঝা সোমবার সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে নেপাল রওনা হন। এরপর দুপুরে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

আবেগাপ্লুত হয়ে কুমুদিনী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এমএ হালিম বলেন, ‘এ রকম মৃত্যু যেন আর কারও না হয়।’

অন্যদিকে শ্রেয়া ঝার মৃত্যুর খবরে কলেজ ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বাংলা/এমএইচ/এমএইচ

আপনার মন্তব্য

Daraz Bangla New Year
advertisement

advertisement
advertisement